ত্যাগের নিশান উড়াও সবে ধ্বংস করো নিঁদ, অন্তর জুড়ে পশুর আখলাক ক্যামনে হবে ঈদ? ঈদের দিনে ফিরনি পায়েস মজা করে খাও, হালাল রুজি কোথায় পেলে? একটু বলে যাও? মনের পশু
স্বামী বসা পাশের কক্ষে স্ত্রী পড়ছে নামাজ, সেখান হতেই শুনছে স্ত্রীর প্রার্থনার আওয়াজ। ” হে খোদা দয়াময় রহিম রহমান, সব জায়গায় বজায় রেখো স্বামীর সম্মান। দূরে বা কাছে যেখানেই থাক
ভোট এসেছে,ভোট এসেছে,নেই নেতাদের ঘুম, সারা দেশে চলছে এখন ভোটের মহা মরসুম। পাড়ায় পাড়ায় ছুটছে নেতা তার সাঙ্গ পাঙ্গ নিয়ে কোথায় কি কাজ করতে হবে দেখছে সবাই গিয়ে যে সকল
কিরে , আজ যদি হারিয়ে যাওয়া সেই পুরোনো কথা গুলি আবার তোকে বলি! তুই মনে করতে পারবি তো? মনে দুঃখ ও কি পাবি ? কোনো অনুশোচনা হবে কি তোর ?
ছাত্র-ছাত্রীর মা-বাবারা চিন্তা যাদের বেশি, তারা এবার হতেই পারেন অনেক অনেক খুশি। আপনাদেরই চাওয়ার কথা মাথায় রেখে তাই, নতুন একটা দারুণ ব্যাবসা ফেঁদেছি যে ভাই। আশা করি রাতারাতি সফল হয়ে
মা জননী মায়েদের প্রতি সবসময় আমার হৃদয়ের সশ্রদ্ধ সালাম, মা দরদী মাগো তোমার জন্যইতো সন্তান হয়ে বিশ্ব ধরায় এলাম। আমার মতো যাদের মা নেই তারা ভালোভাবেই বুঝে মায়ের কদর, মাগো-ছোট্ট
মা যে আমার সোনার মেয়ে চাঁদের মতন মুখ। তোমার ছোঁয়ায় দূুর হয়ে যায় আমার যত দুঃখ। মায়ের হাসি চাঁদের মত কি যে ভাল লাগে। মায়ের হাসি আমার বুকে খুশির জোয়ার
একটা সময় প্রেমের তরে খুঁজতো মানুষ মন, এখন দেখি ধন বিহনে হয় না সে বন্ধন। যদিও হয় ভুলে ভালে আলোর মুখ না পায়, প্রবীণ ধনে ছোঁ মেরে নেয় নবীন ছ্যাঁকা
ভিন্ন-ভিন্ন চিন্তা ধারা বিচার-বিশ্লেষণ, যে যার মতে চলছে মানুষ সদা সর্বক্ষণ। ভালো কাজে স্বল্প সাড়া, মন্দ কাজে অধিক জন! সিদ্ধ মতে দ্বন্দ্ব- বিরোধ; স্বেচ্ছাচারী কুটিল মন!! চারিদিকে হানাহানি রাহাজানি প্রহসন!
পথের ধারে দাঁড়িয়ে ছিলাম ভাবি রিকশা পাবো, হঠাৎ করে ভুলে গেলাম কোথায় যেন যাবো! মনের মাঝে কি যেন কি হলো এলোমেলো, মনটা আমার মনকে রেখে কোথায় যেন গেলো! একটা খালি
গহীনের কথামালা হৃদয়ের আঘাত বড়ই ভয়াবহ , বালিকা তোমার কৃষ্ণচূড়া লাল ললাটের গভীরে দেখ আমার দীর্ঘশ্বাসের তীর বিঁধে আছে । তাড়িয়ে ফিরেছে আমায় যে ভালোলাগা তাকে চৈত্রের দুপুরে শুকিয়ে কৌটা
হাসির রানি তোমায় মানি দেখে তোমার হাসি, প্রেমের ক্ষেতে এসো বন্ধু হবো প্রেমের চাষি। হাসিতে যেন মুক্তা ঝরে ধরিতে চায় মন, ঐ হাসির শুভ্র হাওয়া মাতাল করে তন। গালের টোলে
আজ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী। বাঙালির আত্ম পরিচয়ের স্বরূপ সন্ধ্যানে যিনি অতুলনীয়। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘর আলো করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। গল্প,
সবুজ হীন নগরে ঘাম ঝরে গরমে ভাল্লাগে না শহরে রাগ ওঠে চরমে ।। শুন শান দুপুরে হাক মারে হকারে জল নেই পুকুরে ছায়া খোঁজে কুকুরে ।। প্রকৃতি রুষ্ট করে উন্নয়ন
তীব্র দহন যাতনা যখন জীবন করে গ্রাস, নতুন প্রেরণা সাথি হয়ে তাই দেখায় বাঁচার আশ। শোকের মেঘেরা ঝরে নাকো আর ধীরে ধীরে যায় চলে, আঁধার আকাশে তারার ঝিলিক আশার পিদিম
কই গেলো স্বাদের কাল বৈশাখী ঝড়!! কই গেলো বৃষ্টির কাওয়ালী আম পড়?? গরমে অতিষ্ঠ আপামর সাধারণ মানুষ, খেটে খাওয়া জনতা হিটস্ট্রোকে বেহুঁশ। সূর্যের উত্তাপে কাহিল শিশু কিশোর বৃদ্ধ, বনের পশু
চাঁদ ঝলসে দেয় তোমার উঠোন তুমি আছো নিরালায় আমার বাসর জ্বলে পুড়ে যায় নিরাভরণ ইশারায় গাছে গাছে তাই ছুটে বেড়ায় ভীষণ বাতাসের দল কোন বাঁধা নেই উড়িয়ে নিতে এক দঙ্গল
শিক্ষকরা খেলার ছলে মজা করে নিচ্ছেন একীভূত শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, একক ও দলগত কাজের মাধ্যমে হচ্ছে কত প্রদর্শন,লিখন ও উপস্থাপন। প্রশিক্ষণের ফাঁকে ফাঁকে চলছে যাদু প্রদর্শন,গান,কবিতা পাঠ ও কৌতুক, অলসতা