বাংলা আমার মায়ের ভাষা সকল ভাষার চাইতে মহান এই ভাষারই গৌরব গাঁথা শুনলে পরে জুড়ায় প্রাণ । ভাষা দিবস স্মরণ কালে শ্রদ্ধা ভরে জানাই প্রণাম ।। এই ভাষাতেই রবি কবি
ছিলাম না তো ছন্নছাড়া, হয়নি কখনো ছন্দ হারা। সাক্ষী আছে পলাশ শিমুল, বসন্ত রঙিন শতেক ফুল। যে রঙ ছিল জীবন জুড়ে, হারিয়ে যায় সময় ঝড়ে। সময় বড়ই স্বার্থপর, অতীত নিয়ে
ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক: অমর একুশে বই মেলা ২০২৪-এ এলো ‘‘ব্যাংকিং রিপোর্টের কলা-কৌশল’’ নামে ভিন্নধর্মী একটি বই। সাংবাদিক শাহীন হাওলাদারের লেখা অনিন্দ্য প্রকাশনা থেকে এ বইটি প্রকাশিত হয়েছে। অর্থনৈতিক সাংবাদিকতা করতে যারা
গোসাইরহাট শরীয়তপুর। আয় সখি কাছে আয় দে আদর হয়ে যাবো আমি তোর। আয় সখি কাছে আয় বারো মাসে তের ফুল হয়ে যাবো আমি তোর। সখি ভালোবাসার আঁচল বিছিয়ে রাখো প্রেমের
ব্যালকোনিতে দাড়িয়ে নিচের দিকে চোখ পরতেই দেখি সজনে গাছটা ফুলে ফুলে ছেঁয়ে গেছে। অবচেতন মনে হঠাৎ নিস্প্রাণ বর্ন মালারা বলে দিল একুশের আগমন। কুমরো গাছের মাঁচা ভরে আছে হলুদ ফুলে।
এমন হাসি হাসলি কেন, যায় না যেটা ভোলা। কোন্ বাঁধনে জড়ালি মন, যায় না বাঁধন খোলা। যে রঙে তুই বসন্ত সাজাস, মনেতে ঝড় তুলে। সে রঙ দেখে মন আমার, খুশির
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে ‘একুশে পদক ২০২৪’ তুলে দেবেন। সকাল ১১টায় সরকার প্রধান রাজধানীর ওসমানী
যাদব দাদা লগ্নি করে বই প্রকাশ করলো, বই ছাপিয়ে তার স্বপ্ন ভেঙে গেলো। বই ছাপিয়ে বই মেলায় দিলো বিক্রি করতে, কিন্তু যাদব দাদার লাভ হলোনা তার তাতে। প্রকাশনীতে মেলায় এসে
আহা! কী আনন্দ এলো বসন্ত পাখিরা ধরেছে তান নব রূপে ভুবন সেজেছে বিধাতার কী অপরূপ দান ।। শাখে শাখে নতুন পাতা ফুলের সাথে অলির কথা ঝেড়ে ফেলে শীতের ব্যথা করো
কে কেমন চলে একটু দেখি আমি চলি আমার মতন, তুমি চল তোমার মতন মাস্টানরা চলে যেমন তেমন। কৃষকরা সদা চলে কৃষকের মতন, যেন চলে সারা বছর কৃষিকাজে ভাল ফলন। কবি
নাপাক জলে জোড়া-স্নান, জন্মে তাতে নব প্রাণ। মানব কল্লা যতই হয়, কারো সাথে মিল না রয়। কে বা স্রষ্টা কোথায় ঠাঁই, মানুষ ছাড়া দলিল নাই। মানুষ বাঁচলে বাঁচবে সব, না
অচেনা পাখি উড়েউড়ে কথা কয়, মাটির পৃথিবীতে লাগে কেন ভয়?? আমিতো নিরীহ নিরিবিলি প্রকৃতির প্রাণী, শান্ত সুশীতল হৃদয়ে আজীবন খুব জ্ঞানী। শুকপাখী রাজপুত্রকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়, যেখানে সততা নিষ্ঠা উজ্জ্বলতা
নারীরা মায়ের জাতি, নারী বলে কেউ অবহেলা করোনা বাড়িওনা সমাজে দুর্গতি। নর ও নারীর যৌথ প্রয়াসে ঘর হয় আলোকিত, ঘরে আসে নতুন অতিথি পরিবারের সবাই হয় পুলকিত। নারীরা হয় দশভুজা
যা দেখি সব হাওয়াই মিঠাই। আসলের আসল কিছু নাই। সবার মাঝে নিজের প্রকৃত আচরণে মানুষ বড্ড বেমানান। নিত্য বদলে গিয়ে, প্রকৃতি-প্রবৃত্তি ঢেকে, ভেক ধরে অভিনয় চলে নানান। অন্যে পছন্দ করে
বইমেলা এখন ফিরেছে সেই চিরচেনা রূপে। পাঠকরা আর ঘরে বসে নেই। বইয়ের টানে নানা বয়সি পাঠকের পদচারণায় মুখর মেলাপ্রাঙ্গণ। হাতে হাতে শোভা পাচ্ছে বই। এ এক অন্যরকম ভালো লাগা দৃশ্য।
একই ফাল্গুন ফিরে আসে বারে বারে একই থাকে দিনক্ষণ প্রতিটি বছরে, একই রঙে রূপে রসে একই অবয়ব আসে পরে ফিরে যায় ঘুরে চক্রাকারে! এক ফাল্গুনে যারা নাচে হাসে গায়, পর
কোন এক সন্ধ্যা যদি ডুবিয়ে দিয়ে গণিতের পাঠ চুকিয়ে ফেলি আয়তক্ষেত্র ত্রিভুজ আঁকতে গিয়ে যদি তোমাকেই আঁকি অপরাহ্নের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ঘুটঘুটে আঁধার যদি ছড়িয়ে দেই সমস্ত রাত্রি জুড়ে। তবে
ফাগুনের ভালোবাসায় ধরণী আকুল ভ্রমরের গুঞ্জন ঐ শুনা যায় নববধূ ডাকে যেন কারে ইশারায়। মুখে হাসি বুকে আশা ফাগুনের ভালোবাসা পেতে চায় সব প্রাণীকূল তাই তো আকুল, প্রেমময় আকুতির ভাব