ওরে চাঁদ ঘরে আয়, একা ঘরে ভয় পায়। কি যে করি ভেবে মরি, কোথা যাই কাকে ধরি। দেখি আমি মাঝে মাঝে, উঠিস না তুই সাঁঝে। তবু আমি বারে বারে, খুঁজিফিরি
এখন বদলে যাওয়া মানুষগুলো মিথ্যে অভিনয়ে মত্ত থাকে এখন বদলে যাওয়া মানুষগুলো হাসি দিয়ে তার কষ্ট ঢাকে। এখন বদলে যাওয়া মানুষগুলো নিজকে নয় অপরকে দেখে এখন বদলে যাওয়া মানুষগুলো পরের
পৃথিবীটা দিনে দিনে হচ্ছে কত সুন্দর সুনিপুণ ডিজিটাল, মানবজাতি নিজ স্বার্থের তরে এখনো রয়েছে বে-সামাল। বর্তমানে নভোচারীরা রকেটে যাচ্ছে চাঁদের দেশে, পুকুর চুরি করছে সৃষ্টির সেরা মানুষ সাধু সন্ন্যাসীর বেশে।
কিছু কিছু জীবনের গল্প পৃথিবীর অনেকের জানা নেই, জেনে নিতে সেগুলোর অল্প পৃথিবীর মানুষের মানা নেই। কিছু কিছু সময়ের চিত্র পৃথিবীর অ্যালবামে রাখা নেই, খুঁজে নিতে গুটিকয় মাত্র সুযোগের পথগুলো
ঘুমের ঘোরে দাওয়াত পত্র এসেছে , পৈশাচিক বেদনা আলিঙ্গন করতে হবেই হবে , টাকা দিয়ে কি হয় ? ইচ্ছে পূরণ ! টাকা জমিয়ে কি হয় ? বড়লোক ! কষ্ট জমিয়ে
আমি যখন ছোট ছিলাম যেতাম নানার বাড়ি, বর্ষাকালে নৌকায় চড়ে হেমন্তেতে গাড়ি। নানা নানী খালা মামা অধিক খুশি হতো, ভালো খাবার রান্না হতো বলবো আমি কতো। আমায় ভীষণ আদর করে
মাতৃসেবার অনেক মূল্য সৃষ্টিকর্তার কাছে, সে সম্পর্কে অনেক আয়াত পাক কোরানে আছে। মার সেবাতে ব্রত হলে স্বর্গ মিলতে পারে, স্বর্গ কিন্তু পাওয়া যায় না কারো থেকে ধারে। মাকে করলে শ্রদ্ধা-ভক্তি
গোসাইরহাট শরীয়তপুর। তোমার মুখে কথা নেই নেই কোন সাড়া নেই শব্দ তবুও যেন জেগে কথা বলো ঐ জোৎস্নার রূপে। দূর আকাশের তারার মতোই আড়ালে স্বপ্ন লুকাও তোমার কাছে তবু যেন
পৃথিবীতে বহু অবৈধ প্রেম হচ্ছে মুঠোফোনের আলাপনে, প্রেমিক প্রেমিকা জুটি গড়ে তুলে দৈহিক মোহের টানে। মুঠোফোনের ভুল সংযোগে হয় প্রতারণার প্রেম, প্রেমের ছলনায় ধোঁকায় পড়ছে বহু স্মার্ট মেম। বিনা পরিচয়ে
অমর একুশে বইমেলায় এসেছে ইউএনবির বিশেষ প্রতিবেদক মুহাম্মদ আবদুর রহমান জাহাঙ্গীরের লেখা বই ‘ঢাকা : এ সিটি প্লেগড বাই প্রবলেমস’। বইটিতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন নাগরিক দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ ও জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণের ওপর তার রচিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন। শেখ হাসিনার রচিত বই ‘সকলের তরে সকলে আমরা’-তে তার জাতিসংঘে
তিড়িং বিড়িং গঙ্গা ফড়িং এদিক ওদিক ছুটে, সুযোগ পেলেই সোনার ফসল দলবেঁধে খায় লুটে। ধরতে গেলেই চোখের নিমেষে লুকোয় ধানের শীষে, সবুজ গায়ের রঙের জন্য চকিতে যায় সে মিশে। পাখনা
দুই বাংলার মানুষ এক হয়েছে এখন সবাই, কাঁটা তারের বেড়া ভেঙে ফেল ভাই। এখন আর বসে থাকার সময় নাই ভাই, কবি লেখক এক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ো সবাই। যেকোনো পুরস্কার পেতে
আশা মিটিবার আগেই চলে যেতে হয় তাতেই যে বুঝি আমি পৃথিবী আমার নয় এখানে খলনায়ক হলো ধাবমান সময় সাধ মিটিবার আগেই চলে যেতে হয়। কী তুমি চেয়েছিলে আর ভালোবাসা ছাড়া
পদক পাবার যোগ্য যারা পদক পায় না তারা, অযোগ্য সব তোষণকারীর পদক মিলে সারা! নতুন সৃষ্টির জন্য যারা আপ্রাণ চেষ্টা করে, পদক নামের সোনার হরিণ যায় না তাদের ঘরে! কৃত্রিম
মনের দু:খে কহিল সেদিন গ্রামের মনু চাচা, এতো দিন ভেবেছিলাম যা মোটেও নয় সাচা। ভেবেছিলাম বাজার হতে পকেটমার গেছে উধাও হয়ে, ভুলটা ভেঙে গেল আমার সেদিন বাজারে গিয়ে। বেগুনের দোকানে
সেই রকম একটা সমাজ চাই, খুব খুব করে চাই সেই রকম একটা সমাজ যেখানে থাকবে না কোন হানাহানি, খুনাখুনি থাকবে না শোষকদের কালো থাবা, থাকবে না দুঃখী’র করুণ আর্তনাদ। বিচারের
কিছু কাটে ধারে কিছু কাটে ভারে। ধার আছে ভার নাই ভার আছে ধার নাই এ দু’টো গুণের অপরিপূর্ণতায়- ভোঁতা দা’য়ের মতো শুনে যাই জব্দ! একদিন ধারী হব একদিন ভারী হব