1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
একের পর এক উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নৈরাজ্য বন্ধ করতে পরেনি দুই সিটি

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০ ৬:৪১ pm

একের পর এক উদ্যোগ নেয়া হলেও রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নৈরাজ্য বন্ধ ও ঢেলে সাজাতে পারেনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। বিশেষ করে বাসাবাড়ির বর্জ্য নিয়ে চরম বেকায়দায় রয়েছে নগরবাসী। কারণ বাসাবাড়ির বর্জ্য অপসারনে নেই কোন নীতিমালা বা নিয়ম কানুন। আগে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বাসার বর্জ্য সংগ্রহ করে অপসারন করা হলেও এখন স্থানীয় পর্যায়ের প্রভাবশালীরা তা নিয়ন্ত্রণ করে তাদের লোক দিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করছে। ফলে বর্জ্য অপসারন বাবদ তারা তাদের ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করছে।

এদিকে, সম্প্রতি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নৈরাজ্য বন্ধে নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে দক্ষিণ সিটি থেকে মাসে ১০০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বর্জ্য সংগ্রহকারীরা তা মানছে না। তারা অনেকের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেশি টাকা না দিলে বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করছে না। ফলে অনেকে বাধ্যে হয়ে এসব বর্জ্য যত্রতত্র ফেলছে। তবে এ বিষয়ে উত্তর সিটি মাসিক টাকা নির্ধারণ করে না দেয়ায় বর্জ্য সংগ্রহকারীরা তাদের ইচ্ছেমতো এখনও টাকায় আদায় করছে। অনেকে বেশি টাকা দেয়ার আশঙ্কায় সড়কসহ যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলছে। যারফলে যত্রতত্র এখনও পড়ে থাকছে ময়লা আবর্জনা। এরজন্য পথচারীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

সরেজমিনে রাজধানীর কাকরাইল, শান্তিনগর, মুগদা, বাসাবো, মানিকনগর, মালিবাগ, যাত্রাবাড়ী, মগবাজার, পান্থপথ, নিউমার্কেট, আজিমপুর, গুলিস্তান, শাহবাগ, পল্টন, সায়েদাবাদ, টিকাটুলি, দয়াগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কসহ যত্রতত্র আগের মতোই ময়লা আবর্জনা পড়ে আছে। প্রতিদিনের ময়লা যথাসময় অপসারন না করায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারিসহ সবাই। এতে নানা রোগ ছড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

এদিকে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক জরিপে দেখা গেছে, সংস্থাটি বর্জ্য সংরক্ষণ ও পরিবহনে মোট ৩২১টি কন্টেইনার ব্যবহার করছে। এর মধ্যে ১৫৭টি কন্টেইনার ভাঙা। ১৫৭টি কন্টেইনারের মধ্যে ৩৫টি কন্টেইনার মেরামত যোগ্য এবং ৮২টি একেবারেই মেরামতের অনুপযোগী। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্যঝুকিঁতে রয়েছে নগরবাসীও।

সরেজমিনে দুই ডিসিসির বিভিন্ন স্থান ঘুরে আরো দেখা যায়, কোনো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করছে। মাস্ক, গ্লাভস ও বুট জুতা ছাড়াই ময়লা সংগ্রহ ও পরিষ্কার করতে দেখা গেছে তাদের। এছাড়া, ময়লা অপসারনে তাদের দেয়া হয় না নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম।

জানা গেছে, দুই সিটিতে নিয়োগপ্রাপ্ত অধিকাংশ পরিচ্ছন্ন কর্মীরা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন। তাদের মধ্যে সবাই অল্প শিক্ষিত ও দলিত শ্রেণীর। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনেক বিষয়ে তাদের ধারণা নেই। আর এর জন্য সিটি কর্পোরেশন থেকে কোনো রকমের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা নেই৷ ফলে তারা তাদের ইচ্ছেমত পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে।

এদিকে, এসব কর্মীদের বাইরে বাসা বাড়ি থেকে যারা স্থানীয়ভাবে ময়লা সংগ্রহ করেন তাদের অবস্থা আরো ভয়াবহ। তারা কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করছেন। অন্যদিকে বাসাবাড়ির ময়লা সংগ্রহ বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এদের উপর নগরবাসী চরম ক্ষিপ্ত।

ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ডিএসসিরি প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি প্রতিষ্ঠান বর্জ্য সংগ্রহের কাজ করছে। আগে একটি ওয়ার্ডে একাধিক প্রতিষ্ঠান কাজটি করত। তবে বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের কাজ করছে, তাদের অনেকের বিরুদ্ধেও করপোরেশন নির্ধারিত চার্জের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ আছে।

জানা গেছে, বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য মাসে ১০০ টাকার বেশি আদায় করা যাবে না, এমন নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেছেন, নতুন আঙ্গিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট হারে তারা মাসিক চার্জ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কোথাও এই হারে ব্যত্যয় করা যাবে না। করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু বর্জ্য সংগ্রহ কারীদের কেউ কেই এ নির্দেশ অমান্য করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মেয়র তাপস বলেন, ঢাকাবাসীর একটি বড় অংশ এখনো উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলায় অভ্যস্ত।

কিন্তু ঢাকা একটি রাজধানী। রাজধানীর শহর হিসেবে এটার মর্যাদা ও সম্মানকে অনুধাবন করতে হবে। তার জন্য এই নিয়মাবলি (নতুন আঙ্গিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা) যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। নতুন আঙ্গিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সূচি আমরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে নির্ধারণ করেছি। শুরুতে অনেকেই এই সূচি যথাযথভাবে পরিপালন করতে চাইবে না। কিন্তু আপনাদের যথাযথভাবে আমাদের এই সূচি পালন করতে হবে এবং জনগণকেও সে সূচি পালন করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে ও পালন করাতে হবে।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

মাসিক আর্কাইভ