1. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  2. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  3. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  4. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  5. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
একদিনেই মৃত্যু ১১৩৭৫, আক্রান্ত ৮৫ হাজার - |ভিন্নবার্তা




একদিনেই মৃত্যু ১১৩৭৫, আক্রান্ত ৮৫ হাজার

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০ ৩:৫০ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ১১ হাজার ৩৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ মহামারিতে একদিনে এটাই রেকর্ড মৃত্যু। এর আগে গত ৭ এপ্রিল সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল সাত হাজার ৩৮৫ জনের। গতকাল আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৭৬ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সার্বক্ষণিক হিসাব রাখা ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ লাখ ২৯ হাজার ৯২৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচ লাখ ৪০ হাজার রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মারা গেছেন এক লাখ ৪২ হাজার ৭১৬ জন। বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৩১ হাজার ৩৪১। আক্রান্তদের অর্ধেকই ইউরোপের দেশগুলোর বাসিন্দা। এ মহাদেশে মারা গেছেন ৯০ হাজারের বেশি লোক। ইউরোপকে করোনা ঝড়ের গতিমুখ বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়। এদিন মারা যান ২ হাজার ৪০৫ জন। গতকাল পর্যন্ত দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৪৯০ জনে। আক্রান্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৫৪ হাজারের বেশি মানুষ। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কভিড-১৯ আক্রান্তের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ‘চূড়া’ পার করেছে। চলতি মাসেই কিছু রাজ্য ফের সচল হতে পারে। দেশটিতে করোনার কারণে মধ্য মার্চ থেকে দুই কোটি ২০ লাখের মতো লোক বেকার হয়ে পড়েছেন। গত এক দশকে দেশটিতে যে কর্মসংস্থান হয়েছিল, মাত্র চার সপ্তাহে তার চেয়ে বেশি লোক বেকার হয়ে পড়েছেন। করোনায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত নিউইয়র্ক রাজ্যে গতকাল ৬০৬ জন মারা গেছেন। এ রাজ্যে শাটডাউনের মেয়াদ ১৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

ফ্রান্সে বুধবার মারা গেছেন রেকর্ডসংখ্যক এক হাজার ৪৩৮ জন। স্পেনে বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে ৫৫১ জনের। দেশটিতে মোট মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে এদিন মারা গেছেন ৮৬১ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৭২৯ জনের। দেশটিতে লকডাউনের মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ইতালিতে গতকাল মারা গেছেন ৫২৫ জন। ইরানে মারা গেছেন ৯২ জন। রাশিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

চীনের কোনো পরীক্ষাগার থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আবির্ভাব হয়েছে কিনা, যুক্তরাষ্ট্র তা খতিয়ে দেখছে। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ও জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্নিষ্ট বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন। তবে চীন বলেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তদন্ত করে এ রকম কিছু পায়নি।

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজে জমায়েতের জন্য তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভির বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত মৃত্যু সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গত মাসের মাঝামাঝিতে ওই জমায়েত অনুষ্ঠানের বিষয়টি প্রকাশিত হলে তাতে অংশ নেওয়া ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশসহ বিশ্বের কয়েক হাজার অনুসারীকে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের সদর দপ্তরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গতকাল পর্যন্ত ভারতে করোনাভাইরাসে মোট ১২ হাজার ৭৫৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪২০ জন মারা গেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে অন্তত ৯ জনের মধ্যেই আগে থেকে কোনো না কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল বলে উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগ অফিস অব ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস থেকে পাওয়া উপাত্ত থেকে। করোনাভাইরাসের কারণে মার্চে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যে চার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তাদের তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে সংস্থাটি। এসব ঘটনার ৯১ শতাংশের ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগীর অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা ছিল। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষের ছিল হৃদরোগ। তার পরেই ছিল ডিমেনশিয়া বা স্মৃতি ভুলে যাওয়া ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা।

জাপানের জরুরি অবস্থা দেশজুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরে গতকাল নতুন করে ৭২৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দেশটিতে সম্প্রতি যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশি অভিবাসী। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে, করোনার হানায় এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শূন্যে নেমে আসতে পারে। গত ৬০ বছরের মধ্যে এই প্রথম শূন্য প্রবৃদ্ধির দিকে এগোচ্ছে এ মহাদেশ।

করোনা নিয়ন্ত্রণে আরোপ করা কড়াকড়ি তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে ছয়টি শর্ত দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে। প্রতিটি রোগীকে শনাক্ত করে আইসোলেট ও চিকিৎসা করার উপযোগী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থাকতে হবে। কর্মস্থলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস



আরো




মাসিক আর্কাইভ