1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

প্রদীপ ও লিয়াকতের ‘ভিডিও’ নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ৪:২৭ pm

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের এই ভিডিওতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী তাঁদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন।

এ মামলার তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হওয়ার কথা ৭ সেপ্টেম্বর। এরই মধ্যে কমিটি তদন্তের কাজ গুছিয়ে এনেছে। এর ঠিক আগমুহূর্তে এই ভিডিও বার্তা পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

একটি সংস্থার লোকজন বলছেন, কক্সবাজার আদালত থেকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তুলে দুই আসামিকে জেলা কারাগারে নেওয়ার পথেই পরিকল্পিতভাবে এই ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে তা জোড়া লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

প্রিজন ভ্যানে থাকা কারাবন্দীর হাতে কীভাবে মুঠোফোন পৌঁছাল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

৪ দফায় টানা ১৫ দিন রিমান্ড শেষে প্রদীপ কুমার দাশকে তদন্ত সংস্থা র‍্যাবের গাড়িতে কক্সবাজার আদালতে আনা হয় ১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রিজন ভ্যানে তুলে প্রদীপকে আদালত থেকে পাঠানো হয় জেলা কারাগারে। এর দুই দিন আগে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে একই প্রিজন ভ্যানে লিয়াকতকে কারাগারে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রিজন ভ্যানে প্রদীপ ও লিয়াকতের ভিডিও ধারণ করা হয়।

ভিডিওতে প্রদীপ ও লিয়াকত তাঁদের ওপর নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘ডিভিওতে যেসব নির্যাতনের
কথা বলা হয়েছে, রিমান্ডে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। কারণ, আমরা রিমান্ড শেষে মেডিকেল করিয়েছি। ওই ভিডিও তদন্তে কোনো প্রভাব পড়বে না।’

প্রিজন ভ্যানে ভিডিও চিত্র ধারণ প্রসঙ্গে জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মোকাম্মেল হোসেন জানান, প্রিজন ভ্যানে কিছু ঘটলে তাঁর করার কিছু নেই। কারণ, প্রিজন ভ্যানটি পুলিশের।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন বলেন, প্রিজন ভ্যানে প্রদীপ কোন স্যারের সঙ্গে কথা বলেছেন, তা একমাত্র তিনিই জানেন। গত ৩১ জুলাই সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর গত এক মাসে প্রদীপের সঙ্গে তাঁর কথা বলার কোনো কারণ ঘটেনি। কারণ, প্রদীপ এ সময় কারাগার ও র‍্যাবের হেফাজতে ছিলেন। প্রিজন ভ্যানে কারা এই ভিডিও ধারণ করল, তা যাচাই করা হচ্ছে।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

মাসিক আর্কাইভ