1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাওগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ ৪ জন গ্রেফতার: প্রতিবাদ ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পরীমণি ইস্যুতে বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি: কৃষিমন্ত্রী সময় টিভির পরিচালক আহমেদ জোবায়ের কারাগারে খুলনায় গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা, পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার ১৪ জেলায় বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ

সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬ ৭:৫৯ pm

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার সাজিনাস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালকসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামের ৩য় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে শিশুটির মা আমাতুল মাকনুন এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালক হাসান মাহমুদ চৌধুরী, সহযোগী কনসালটেন্ট (এনআইসিইউ) ডা. আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র কনসালটেন্ট (এনআইসিইউ) ডা. ফয়সাল আহমেদ, পেডিয়াট্রিক সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ, কার্ডিও থোরাসিক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. মো. মিনহাজুল হাসান, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান, কার্ডিও থোরাসিক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. মো. ফজলে মারুফ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডা. মো. তামিম সাফায়েত চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয়ে আরও কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৫ মে সার্জিস্কোপ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন আমাতুল মাকনুন। জন্মের পর নবজাতকের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাজিনাস হাসপাতালের এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সময় শ্বাসকষ্ট ছাড়া শিশুটির অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা ছিল না।

অভিযোগ অনুযায়ী, ৩০ মে শিশুটির বাম হাতে ব্যান্ডেজ দেখতে পান তার মা। বিষয়টি জানতে চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তা সামান্য সমস্যা বলে জানান। তবে পরদিন দেখা যায়, শিশুটির বাম হাতের তালু কালো হয়ে গেছে এবং আঙুলে গ্যাংগ্রিন দেখা দিয়েছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের অবহেলায় সংক্রমণ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তী সময়ে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, সাজিনাস হাসপাতালে ভুল স্থানে আইভি ক্যানুলা স্থাপন এবং পরবর্তী অস্ত্রোপচারে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ চিকিৎসার পর গত ৪ জুন শিশুটি মারা যায়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভাশীষ শর্মা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করে আদালত ঘটনাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতামত সংগ্রহেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন শিশুটির মা আমাতুল মাকনুন। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তিনি আইনি পদক্ষেপ নেন।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ