1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
রৌমারীতে পুলিশের উপস্থিতিতে তেল নিয়ে কিলঘুষি ভিডিও করায় সাংবাদিককে হুমকি ঢাকাকে ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ করতে সরকারের ১২ পরিকল্পনা জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদনের নিয়মে নতুন সংযোজন মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দি হাজারো মানুষ সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী, গেজেট বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী লিটারে ৪ টাকা বাড়ল বোতলজাত তেলের দাম সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতকে পোশাক খাতের মত সুযোগ-সুবিধা দেবো: অর্থমন্ত্রী রাজনীতি শিখুন, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে লাভ নেই : বিরোধী দলকে সেতুমন্ত্রী পাঁচ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

ধুনটে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১ ১১:৩২ am

‘জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা যাবে না’-এমন সরকারি নির্দেশ থাকলেও বগুড়ার ধুনট উপজেলায় তিন ফসলি কৃষি জমিগুলোকে পরিণত করা হচ্ছে গভীর পুকুরে। এতে করে উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে কমছে কৃষি জমির পরিমাণ।

জানা গেছে, এ উপজেলায় তিন ফসলি জমিতে মেশিন দিয়ে ৮-১০ ফুট গভীর করে জমির চারদিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর খননের মহোৎসব চলছে। দিনরাত বিরতিহীন পুকুর খনন করে সেই মাটি আবার বিভিন্ন ইটভাটায় সরবারহ করা হচ্ছে। কৃষকরা না বুঝে হারাচ্ছেন তাদের উর্বর ফসলি জমি, অন্যদিকে আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন এক শ্রেণির প্রভাবশালী পুকুর ব্যবসায়ীরা।
শ্রেণিভেদে উপজেলার প্রায় সকল জমিতেই সারা বছর কোনও না কোনও ধরণের ফসল হয়। কিন্তু কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ধানের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদের চুক্তি করছে কৃষকরা। চুক্তির আওতায় তাদের ফসলি জমি পুকুরে পরিণত করা হচ্ছে। জমির সেই মাটি প্রতি গাড়ি (ট্রাক্টর) ৭০০ টাকায় বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রয় করছে পুকুর ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিন বেলকুচি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জেকেবি ব্রিকস নামে ইটভাটার মালিক জুয়েল সরকার তিন ফসলি জমি থেকে গর্ত করে মাটি কেটে নিচ্ছেন। ফলে চারপাশের ফসলি জমি চাষাবাদে হুমকির মুখে পাড়ার আশংঙ্কায় আছেন ভুমি মালিকরা। ফসলি জমি থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কর্তন বন্ধের জন্য গ্রামবাসি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রায় এক মাস আগে অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জেকেবি ব্রিকস নামে ইটভাটার মালিক জুয়েল সরকার জানান, জমি থেকে যে ভাবে মাটি কর্তন করা হচ্ছে তাতে করে চাষাবাদের কোন ক্ষতি হবে না। তারপরও গ্রামের কতিপয় ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক বলেন, ‘জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা যাবে না’- ভূমি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করে স্কেবেটার মেশিন দিয়ে মাটি কেটে ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হচ্ছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছি পুকুর খনন থেকে বিরত থাকার জন্য।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, বেলকুচি গ্রামে আবাদি জমি থেকে অভৈধভাবে মাটি কর্তনের অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভিন্নবার্তা ডটকম/এন



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

মাসিক আর্কাইভ