
৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে হাঙ্গেরিতে প্রথমবারের মতো ফুট-অ্যান্ড-মাউথ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এটি কৃত্রিম ভাইরাস বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যা ছড়িয়ে পড়ারও ভয় রয়েছে। প্রতিরোধে ব্যবস্থাও নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ওয়ার্ল্ড অরগানাইজেশন ফর এনিমেল হেলথ হাঙ্গেরি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত মাসে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গবাদিপশুর খামারে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।
রোগটির বিস্তার ঠেকাতে হাজার হাজার গরু হত্যা করা হয়েছে এবং প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রিয়া ও স্লোভাকিয়ার সঙ্গে একাধিক সীমান্ত পারাপার স্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের চিফ অব স্টাফ গার্গেই গুলিয়াস সাংবাদিকদের বলেন, “প্রাদুর্ভাবের কারণ কী, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এমনকি একটি ‘জৈব হামলা’ কিনা, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
”তিনি বলেন, ‘এখন আমরা এতটুকু বলতে পারি, এটি প্রাকৃতিক উৎস থেকে এসেছে তা নিশ্চিত নয়। এটি কৃত্রিমভাবে তৈরি ভাইরাসও হতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জৈব হামলার’ সন্দেহটি একটি বিদেশি পরীক্ষাগারের কাছ থেকে প্রাপ্ত মৌখিক তথ্যের ভিত্তিতে বলা হচ্ছে। যেটি এখনও পুরোপুরি প্রমাণিত নয়।
আপাতত আর কোনো নতুন প্রাদুর্ভাব ধরা পড়েনি।’
ফুট-অ্যান্ড-মাউথ রোগ মানবদেহে সংক্রমণ ঘটায় না। তবে গরু, শূকর, ছাগল ও ভেড়ার মতো খুরওয়ালা পশুদের জ্বর ও মুখে ফোসকার সৃষ্টি করে এবং এ ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রায়শই বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা ডেকে আনে।
রোগটির খবর প্রথম পাওয়া যায় মার্চের মাঝামাঝি সময়ে। তখন হাঙ্গেরির উত্তরের গিওর-মোসন-সোপ্রোন কাউন্টিতে ৩,৫০০–এর বেশি গরু হত্যা করা হয়।
সূত্র : স্কাই নিউজ