
নীলফামারীর সৈয়দপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় দুই শিশু ফিরে পেল তাদের পরিবার। গত ২৪ আগষ্ট ২ টার সময় সৈয়দপুর উপজেলার খাতা মধুপুর ইউনিয়নের পাশারী পাড়া জামে মসজিদের নিকট মীম (৬) ও রাব্বি (৪) দ্বয়কে কান্নারত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল চেীধুরীকে সংবাদ দেয়। চেয়ারম্যান শিশু দুইটিকে উদ্ধার করে যত্ন নেন এবং তাদেরকে একটি বাসায় রেখে সব সময় খোজ খবর রাখেন।
সেই সাথে শিশু দুইটিকে তাদের পরিবারকে ফেরত দিতে ব্য্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি বিষয়টি সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে ফোনে অবগত করলে অফিসার ইনচার্জ, সৈয়দপুর থানার নির্দেশে এসআই/লক্ষী নারায়ন, এসআই/খালেদ ফিরোজ নয়ন সঙ্গীয় ফোর্সসহ পাশারী পাড়া গ্রামের মোছাঃ রুবি বেগমের বাড়ী উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
শিশু মীম (৬)কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার পিতার নাম মজনু ও গ্রামের নাম কুন্দপুকুর বলে জানায়। এছাড়া তারা আর কিছু বলতে পারে না। এসআই/লক্ষী নারায়ন নীলফামারী সদর থানাধীন কুন্দপুকুর গ্রামের স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও পরিচিত লোকজনকে শিশুদ্বয়ের বিষয়ে অবগত করে তাদের অভিভাবককে সন্ধানের অনুরোধ করা হয়।
পরবর্তীতে নীলফামারী সদর থানাধীন আঙ্গারপাড়া কুন্দপুকুর এলাকার জনৈক শাহীনের মাধ্যমে শিশুদ্বয়ের পরিচয় সনাক্ত করে শিশু দুইজনের মা মোছাঃ তাহমিনা বেগমকে সংবাদ প্রদান করা হয়। ওই দিন রাতে শিশু দুই জনের মা থানা আসলে তারা তাদের মাকে চিনতে পারায় শিশু মীম ও রাব্বিদ্বয়কে বিধি মোতাবেক তাদের মা তাহমিনা বেগমের জিম্মায় প্রদান করা হয়।
শিশু দুইটি তাদের পরিবারকে ফেরত পেতে পুলিশ যেমন অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তেমনি চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে।
ভিন্নবার্তা/এসআর