1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাওগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ ৪ জন গ্রেফতার: প্রতিবাদ ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পরীমণি ইস্যুতে বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি: কৃষিমন্ত্রী সময় টিভির পরিচালক আহমেদ জোবায়ের কারাগারে খুলনায় গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা, পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার ১৪ জেলায় বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ

রাজশাহীর চাঞ্চল্যকর শিশু আলিফ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০ ৪:১৫ pm

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার চাঞ্চল্যকর সাত বছর বয়সী শিশু আজমাইন সারোয়ার আলিফ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক নারীসহ দুজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ওই নারী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শিশু আলিফ উপজেলার চকশিমুলিয়া গ্রামের মো. তারেকের ছেলে। গত ৯ আগস্ট কালুহাটি এলাকায় বড়াল নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশু আলিফের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন আলিফের মা চম্পা বেগম। পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে।

শিশু আলিফকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার দুজন হলেন- চকশিমুলিয়া গ্রামের পারভীন বেগম (৩৫) ও আজাদ আলী (৪২)। এদের মধ্যে পারভীন নিহত শিশু আলিফের মামি। আর আজাদ হলেন পারভীনের সহযোগী।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম শুক্রবার দুপুরে জানান, থানায় হত্যামামলা দায়েরের পর আসামি পারভীনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের জেরার মুখে পারভীন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সব খুলে বলেন। তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আজাদকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, পারভীন এবং তার গ্রামের মাদকাসক্ত ব্যক্তি আজাদ গত ৭ আগস্ট শিশু আলিফকে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক পরদিন শিশুটিকে কোলে নিয়ে পারভীন তার বাড়ির সামনে রাস্তায় আগে থেকেই অপেক্ষমান আসামি আজাদের কাছে হস্তান্তর করেন।

এরপর আজাদ শিশুটিকে বড়াল নদীতে ফেলে দিয়ে তার শরীরে থাকা রুপার চেইন ও কোমরের বিছা আসামি পারভীনকে এনে দেন। এ সময় পারভীন আজাদকে ৩০০ টাকা দেন।

আসামি পারভীনকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে তার বসতবাড়ির ভেতর আঙিনায় লিচুগাছের তলায় আবর্জনার স্তূপের নিচে মাটিতে পুতে রাখা অবস্থায় শিশু আলিফের গলার চেইন ও কোমরের বিছা উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার আসামি পারভীন দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন। আসামি আজাদকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

হত্যার রহস্য উদঘাটন হওয়ায় দ্রুত মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

মাসিক আর্কাইভ