শিরোনাম

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হলে ময়লা-আবর্জনা থাকবে না

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হলে ময়লা-আবর্জনা থাকবে না বলে জানিয়েছেন,সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীনে আমিন বাজারে নির্মিতব্য দেশের প্রথম বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপিত হলে ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট এবং খাল-বিলসহ যত্রতত্র ময়লা পড়ে থাকবে। শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন আমিন বাজারে অবস্থিত ডাম্পিং স্টেশন এবং গাবতলীর মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপিত হলে সেখানে প্রতিদিন তিন হাজার টন ময়লা-আবর্জনা প্রয়োজন হবে উল্লেখ স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এত পরিমান ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ প্লান্ট দিলে ঢাকা শহরের যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ আর থাকবে না।

এসময় ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ডিএনসিসির পাইকারি কাঁচাবাজারে এবং যাত্রাবাড়িতে কাওরান বাজারের কাঁচাবাজার স্থানান্তর করার কথা ছিল। কিন্তু কাজটি আমরা এখনো করতে পারিনি। এখানে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে প্রাথমিকভাবে আমরা কথা বলেছি।

ব্যবসায়ীদের সাথে আমরা আবারো আলোচনায় বসবো। তারা একেক সময় একেক ধরনের দাবি করছে। কিন্তু দাবিগুলো আমরা লিখিত আকারে পাচ্ছিনা। কাওরান বাজারের মতো এরকম একটা বিশৃঙ্খল মার্কেট ঢাকা শহরে হতে দেওয়া যায় না।

মেয়র আরো বলেন, আমাদের প্রায় ৪৫০টি বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আছে। এর মধ্যে আছে এস্কেভেটর, পানির গাড়ি, ময়লার ডাম্প ট্রাক ইত্যাদি। এগুলো কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে। ময়লা ফেলে আসার পরে এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে কিনা। আমরা এসফল্ট প্ল্যান্ট করেছি। আমি ঠিকাদারদের বলে দিয়েছি ভবিষ্যতে এই এসফল্ট প্ল্যান্ট থেকে তাদেরকে ম্যাটেরিয়াল কিনতে হবে। নগরে যে কাজ হবে তার কোয়ালিটি নিশ্চিত করার জন্য এই এসফল্ট প্ল্যান্ট করেছি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবদুল হাই, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই

আরো পড়ুুন