
ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদ সমাজ জীবনে বিশেষ গুরুত্ব রাখে,
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যারা হালাল পশু কোরবানি দিয়ে থাকে।
যেদিন হযরত ইব্রাহিম (আঃ) প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আঃ) -কে ডেকে নেন,
সর্বশক্তিমান আল্লাহর হুকুমের কথা আদরের সন্তানকে বলে দেন।
শ্রদ্ধেয় পিতাকে আল্লাহর হুকুম মানতে স্বেচ্ছায় দিতে চান নিজেকে কোরবানি,
স্নেহের আবেগে বাবার হাত যেন না কাঁপে চোখ বাঁধতে বলেন সন্তান তক্ষুণি।
সুবিশাল মরুপ্রান্তরে শূন্য ময়দানে পিতা-পুত্রের প্রেম ভালোবাসার খেলা,
দরদী দয়াময় মহান আল্লাহকে রাজি খুশি করতে দুজনার আজব মেলা।।
শুনশান নিরবতার মধ্যেও রহমতের ফেরেশতারা অবাক বিস্ময়ে চেয়ে আছে,
চকচকে ধারালো খঞ্জর যে দ্রুতগতিতে চালিয়ে দেন গলার মাঝে।
ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়ে যায়- বড় ভাঙ্গা হৃদয়ে চোখের বাঁধন খুলেন,
চোখ মেলে তিনি অবাক- মহান আল্লাহর অসীম কুদরতে পুত্রকে পাশে দাঁড়ানো দেখেন।
প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) বেহেশতী খুশবু ছড়িয়ে ঝলমলে চেহারায় দাঁড়িয়ে,
পিতা ইব্রাহিম (আঃ) হাস্যোজ্জ্বল হৃদয়ে দু’হাত দিলেন সন্তানের দিকে বাড়িয়ে।
হযরত ইসমাইল (আঃ) এর পরিবর্তে কোরবানি হয়েছে তরতাজা দুম্বা একখানা,
মহান আল্লাহর ভালবাসার খেলায় পিতা-পুত্র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ষোলআনা।
সেই হতে মুসলমানদের মধ্যে চালু রইলো পশু কোরবানির আদর্শ রীতি,
পরম করুণাময় আল্লাহ তার সন্তুষ্টির জন্য চালু রাখেন কোরবানি ঈদের নীতি।।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন