রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে এখনো স্বস্তি ফিরেনি। আগের সপ্তাহের তুলনায় বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও উচ্চমূল্যের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ক্রেতারা চাপে রয়েছেন। কাঁচাবাজার, মাছ ও মুরগির বাজার—সবখানেই বাড়তি
মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভ আরও দ্রুত সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম টানা চতুর্থ সপ্তাহের মতো কমলো। শুক্রবার (২৬ জুন) স্পট
রাজস্ব আহরণের নামে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হলেও, প্রভাবশালী ও উচ্চবিত্তদের কর ফাঁকি রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটটিও শেষ পর্যন্ত কর বৈষম্যের পুরনো বৃত্তেই আটকে
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর বাজারে এখনো দেখা মিলছে হরেক রকমের মৌসুমি ফলের। আম, কাঁঠাল কিংবা লটকনের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকলেও সিজন শেষ হয়ে আসায় বাজারে চড়া দামে বিক্রি
টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ভ্যাটসহ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার