করোনা মহামারিতেও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনীতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও সময় লাগবে। ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোয় নীতি সহায়তাসহ প্রণোদনা প্যাকেজ দ্রুত বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছেন
আস্থা সংকট আর মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে নিস্তেজ হয়ে পড়া দেশের শেয়ারবাজার আবার চাঙা হয়ে উঠেছে। প্রায় দেড় মাস ধরেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। ধারাবাহিকভাবে মূল্যসূচক ও লেনদেন বাড়লেও রোববার
ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে। সরকারি ব্যাংকগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ তদারকি ক্ষমতা অর্পণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন হবে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন। এমন
শের ৩৭ জেলায় বন্যায় প্রায় ১৩ লাখ বিঘা জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে—ধান, আমন বীজতলা, সবজি, ভুট্টা, তিল, মরিচ, চীনা বাদাম, পান, পাট, কলা, লেবু
করোনার প্রভাব মোকাবেলায় বড় শিল্প ও সেবা খাতে ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ দেয়ার শর্ত আরও শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে প্রণোদনা প্যাকেজের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে
১১ দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এবার ভরি প্রতি দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা। ২২ ক্যারেটের ভরি প্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা। তবে
মহামারি করোনাভাইরাসের ক্ষতির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি। থমকে গেছে বিশ্ববাজারে পণ্যের লেনদেন। এ পরিস্থিতিতে সরাসরি বাণিজ্যিক আঘাত হানে দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে। একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল ও
ঈদ পরবর্তী সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার (৫ আগস্ট) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। ডিএসই
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর আগে কোনো একক মাসে এত রেমিট্যান্স কখনও আসেনি। রেকর্ড রেমিট্যান্সের কারণে ৩০ জুলাই পর্যন্ত
সরকারের নানা শর্ত আর মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটে কমেছে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। যা তার আগের
৪৫ লাখ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ২০ দশমিক ২ কোটি ডলার গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে টাকায় প্রায় এক হাজার ৭৩৭ কোটি
পানির দরে’ কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। প্রকারভেদে প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০ থেকে ৪০০ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১০ টাকায় কেনা হয়েছে। তবে বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৫০০ টাকায় নেয়া
চামড়া সংগ্রহ ও মজুদের সবচেয়ে বড় সুযোগ থাকে ঈদুল আজহায়। প্রতিবারের মতো এবারো পশুর চামড়া সংগ্রহ করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ট্যানারি শিল্প নগরী সাভারে সীমিত পরিসরে আসতে শুরু করেছে কোরবানির
রাজধানীতে শুরু হয়েছে ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা। মৌসুমি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনতে তেমন বের হননি। তবে সকাল থেকে মাদ্রাসার ছাত্ররা চামড়া সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে গরীব
ত্যাগের মহিমায় সারাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে উদযাপন করছেন ঈদ।তবে গত কয়েক বছরের মতো এবারও চামড়ার সঠিক দাম
দেশে চলমান বন্যার প্রভাব, করোনাভাইরাস মহামারি, রপ্তানিতে মন্দা, আড়তদারদের আর্থিক সংকটের কারণে এ বছরও কোরবানির পশুর চামড়ার দরপতন ও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, চলমান করোনাভাইরাস আর বন্যায়
গত দুই কোরবানির ঈদে চামড়া কিনে বড় ধরনের লোকসান গুনেছেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। এবার তাই দেখেশুনে চামড়া কেনার কথা ভাবছেন তারা। এদিকে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই কোরবানির গরু জবাই
মহামারী করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও সরকার নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি প্রবৃদ্ধি) অর্জনে ২০২০-২১ অর্থবছরের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিকে ‘সম্প্রসারণমূলক ও সংকুলানমুখী’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ