1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
সংবাদ সম্মেলনে মালিক পক্ষ

নৌযান শ্রমিকদের অযৌক্তিক দাবি মানা সম্ভব নয়

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০ ২:৩০ pm

নৌযান শ্রমিকদের অযৌক্তিক দাবি না মানার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশন এর সকল জাহাজ মালিক বৃন্দ। ১১ দফা দাবিতে ‘বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ও নৌ-শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ ঐক্য পরিষদ’ যে ধর্মঘট শুরু করেছে তা অবৈধ ও অযৌক্তিক বলে জানিয়েছেন নৌযান মালিকরা। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ার-এর একটি হল রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকদের ধর্মঘটকে ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে তা প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এস.পি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) ও ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির এর উদ্যোগে নৌযান শ্রমিকদের অযৌক্তিক ধর্মঘটের বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন করেন জাহাজ মালিক বৃন্দ। এ সময় সংগঠনের অন্যতম সংগঠক রাকিবুল আলম দিপু, সংগঠনের সাবেক সহসভাপতি খোরশেদ আলম সহ নৌযান মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন স্কেলের ন্যায় বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসাভাতা, ইনক্রিমেন্ট, ধোলাইভাতা, উৎসব বোনাস, গ্রাচুয়েটি, ছুটির বেতন, রান্না করার জ্বালানী, রান্না করার জন্য মালিক কর্তৃক বাবুর্চি নিয়োগ, তেল, সাবান সহ সরকার কর্তৃক নৌযান শ্রমিকদের জন্য গঠিত মজুরী কাঠামো অনুযায়ী সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে মালিক পক্ষ। ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ মজুরী কাঠমোর মেয়াদ রয়েছে। তাছাড়া, ২০১৬ সালে সরকার কর্তৃক জাতীয় পে-স্কেলর উপর ১১৩ শতাংশ বেতন ভাতা বৃদ্ধি করে গেজেট প্রকাশ করা হয়, সরকারি নির্ধারিত সে বেতন-ভাতা প্রদান করে আসছে মালিক পক্ষ। এরপরও বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ও নৌ-শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ ঐক্য পরিষদ এর ধর্মঘট অসৌজন্যতা ছাড়া কিছুই নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, করোনাকালে এমনতেই মালিকপক্ষে লোকসানে রয়েছেন। ধারাবাহিক এ লোকসানের মধ্যেই শ্রমিকদের বেতন ভাতা চালিয়ে রাখা হয়েছে। এ অবস্থায় ১১ দফা মানা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলন থেকে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, সড়ক পথে পণ্য পরিবহনের তুলনায় নৌ-পথে পণ্য পরিবহন করা সহজলভ্য ও নিরাপদ। এই ব্যবস্থাপনাকে বিপদে ফেলতে অজানা একটি কালো হাত সুক্ষভাবে কাজ করছে। নিরাপদ নৌপথকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি দুষ্টু চক্র এখানে সংঘবদ্ধ হয়েছে। যাদের উদ্দেশ্য হলো সরকারের কাজকে বাধাগ্রস্থ করা ও মানুষের জীবনযাত্রার মানকে অস্থিতিশীল করা। এরফলে নৌ-শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ ঐক্য পরিষদ করোনাকালীন সময়ে এই ধর্মঘট আহ্বান করে দেশের অর্থনীতিকে চরম বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে।

এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে মালিকপক্ষ ৬টি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো, সুপ্রিম কোর্টের রিট মামলা (২ ডিসেম্বর ২০১৯) অনুযায়ী সিবিএ নির্ধারণ এবং বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের ধর্মঘট আহ্বান করার উপর নিষেধাজ্ঞা এবং অপর রিট মামলা (নং ১৯৭০/২০২০ তাং১৭/০২/২০২০) অনুযায়ী খাদ্য ভাতা প্রদানের উপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সকল পক্ষকে মেনে চলতে হবে। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এর নিবন্ধিত ডব্লিউটিসির নীতিমালা অনুসরণ করে সকল পণ্যবাহী নৌযান পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারি গেজেট মোতাবেক ২০২১ সাল পর্যন্ত শ্রমিক সংগঠনগুলোকে কোন প্রকার দাবি দাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙ্গর ও কুতুবদিয়া হতে অবৈধ বলগেট দ্বারা পণ্য পরিবহন বন্ধ করতে হবে। নদী পথের নাব্যতা বজায়ের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে ড্রেজিং করতে হবে। নৌ-নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক নৌ-পুলিশ মোতায়েন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশন ছাড়াও কোস্টাল শীপ ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ওয়েল ট্যাংকার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংকার্স এসোসিয়েশন এবং লঞ্চ ওনার্স এসোসিয়েশনও নৌযান শ্রমিকদের অযৌক্তিক কর্মবিরতি প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের অন্যতম আয়োজক।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস/এমএমআই

 



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

মাসিক আর্কাইভ