
একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মুলতবি ঘোষণা করেন।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিবেশন শুরু হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে রোববার বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়। এতে যোগ দেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ এবারও সীমিত রাখা হয়েছে। আগের দুটি অধিবেশনের মতো প্রতিদিন ৭০ থেকে ৯০ জন সদস্য অংশ নেয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়। অসুস্থ এবং বয়স্ক সদস্যদের অধিবেশনে অংশ নেয়া থেকে বিরত রাখা হবে।
আর যারা অংশ নিচ্ছেন, তারা করোনাকালীন সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশ নিচ্ছেন। অধিবেশন কক্ষের আসন বিন্যাসও আগের দুটি অধিবেশনের মত দূরত্ব বজায় রেখে করা হয়েছে।
এবারও গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি সংবাদ সংগ্রহের জন্য সংসদ কার্ড ইস্যু করা হয়নি। গত দুটি (সপ্তম ও অষ্টম) অধিবেশনের মত নবম অধিবেশনও সংবাদকর্মীদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে সংবাদ সংগ্রহ করতে হবে।
এর আগে সর্বশেষ ৯ জুলাই চলতি অর্থবছরের বাজেট অষ্টম অধিবেশন শেষ হয়েছিল। ওই অধিবেশনের মেয়াদ ছিল ৯ দিন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় এক অধিবেশনের শেষ ও আরেক অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেয়ার সুযোগ নেই। সেই হিসাবে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অধিবেশন বসতেই হবে।
এর আগে চলতি বছরের মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই সপ্তম ও অষ্টম অধিবেশন শেষ হয়েছে।
বাজেট অধিবেশনের আগে ১৮ এপ্রিল সপ্তম অধিবেশনের মেয়াদ ছিল মাত্র এক দিন। ওই দিন মাত্র দেড় ঘণ্টায় অধিবেশন শেষ হয়, যা ছিল ইতিহাসের সংক্ষিপ্ততম অধিবেশন।
গত ১৯ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন।
ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ