1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাটগুলো

বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় চিন্তিত ব্যবসায়ীরা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০ ৬:৪৬ pm

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। ফলে রাজধানীর সব কয়টি পশুর হাট জমে উঠেছে। বেচা কেনা শুরু হয়ে গেছে। এতোদিন অনেকেই হাটে এসে দরদাম করে চলে গেলেও আজ মঙ্গলবার পছন্দের পশু দরদাম করে কিনছেন অনেকেই। হাটে গরু ছাগল ও মহিষও রয়েছে পর্যাপ্ত। তবে বড় গরুর চেয়ে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। ফলে বড় গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর গাবতলী পশুরহাটসহ এবার ১৭টি হাট বসেছে। এসব হাট ইতিমধ্যে পশুতে ভড়ে গেছে। এতোদিন বেচা বিক্রি কম থাকলে গতকাল থেকে হাট জমে উঠেছে। হাটে যারা আসছে তারা দরদাম করে পশু ক্রয় করছেন। তবে বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা পড়ছেন বিপাকে।

পশুর হাট সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সবচেয়ে বড় পশুর হাট গাবতলীতে আগের মতো নেই বেচা কেনা। এ হাট থেকে খুচরার চেয়ে পাইকারিরা বেশি গরু ক্রয় করে। কিন্তু এবার অনেক পাইকার নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। তবে ঈদের আর বেশিদিন বাকি না থাকায় খুচরা ক্রেতারা হাটে আসলেও বড় গরু না কিনে তারা মাঝারি ও ছোট গরুই বেশি কিনছেন। ফলে বড় বড় গরু নিয়ে ব্যবসায়ীরা চিন্তিত হয়ে পড়ছেন।

আপতাব নগর পশুর হাটের কয়েকজন খামার মালিক জানান, এ হাটে ৬০ থেকে ৯০ হাজার টাকা দরের গরুর চাহিদা বেশি। অনেকে দরদাম মিলে গেলে পশু কিনে ফেলছেন। অপরদিকে ২০ থেকে ৩০ মণ ওজনের গরুগুলো এখনও বিক্রি শুরু হয়নি। ফলে এসব গরু নিয়ে বিপাকে রয়েছেন খামারিরা।

মেরাদিয়া হাটের খামারি মহিবুর রহমান বলেন, সারা বছর গরু পালন করার পর কোরবানির আগে বিক্রি উপযোগী হয়। আমার নিজের পালন করা ১০টি গরু এ হাটে এনেছি। এখন যে দর চলছে তাতে খরচ উঠবে কিনা সন্দেহা। অপরদিকে গরুগুলো বিক্রি না করে ফেরত নিলে লোকসানে পড়তে হবে। এমন অবস্থা শুধু আমার একার না সবারই। এমতাবস্থায় অনেকে কম দামেই গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে খামারিরা চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, রাজধানীর হাজারীবাগের কোরবানির পশুর হাটে নজর কেড়েছে বাংলা বস। এ গরুটি এ হাটের সবচেয়ে বড় গরু। ইমান আলী নামের এক ব্যাপারী গরুটি এনেছেন। আজ গরুটি ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়ায় তিনি মহা খুশি। যদিও তারমতে গরুটি তিনি লোকসান দিয়ে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, এবার বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় একটু লসে হলেও ছেড়ে দিছি। কারণ পরে বিক্রি করতে না পারলে এ গরু ফেরত নেয়া লাগবে। এ সময় পাশে থাকা কেউ বলছিলেন, গরুটি সস্তা হয়েছে আবার কেউ বা বলছিলেন, দাম ঠিকই আছে। এ সময় ইমান আলী নামের ওই ব্যাপারী বলছিলেন, আপনারা বললে হয়তো বিশ্বাস করবেন না, এ গরুটা আমি লসে বিক্রি করেছি। লাভের আশায় অনেক শখ করে গরুগুলো বাড়িতে লালন-পালন করেছি। অনেক শ্রম আর ঘাম ঝরিয়েছি। কিন্তু লসেই বিক্রি করতে বাধ্য হলাম।

ঈদের এখনো তিন দিন বাকি। এখনই কেন লসে বিক্রি করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ইমান আলী বলেন, গরু এনেছি ৩০টা। গত তিন দিনে মাত্র একটি গরু বিক্রি করেছি। হাটে এখনো ক্রেতা আসছে না। তাই ঝুঁকি নিতে চাচ্ছি না। লাভ-লস মিলিয়ে গরুগুলো বিক্রি করে বাড়ি ফিরতে পারলেই বাচি। তিনি বলেন, একেকটা গরুর পেছনে দৈনিক ৩০০ টাকা হিসেবে মাসে ৯ হাজার এবং বছরে এক লাখ ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বছর কিছু কাস্টমার গরু কেনে। তাদের সঙ্গে এবার যোগাযোগ করলে তারা বলেছেন, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দা। যারা তিনটি গরু কিনতেন তারা এবার একটি গরু কোরবানি দেবেন বলে জানিয়েছেন। এ থেকেই ধারণা করে নিচ্ছি, বাজারে গরু সরবরাহের তুলনায় ক্রেতা কম হবে। তাই ঝুঁকি নিতে চাচ্ছি না। লাভ-লস মিলিয়ে সব গরু বিক্রি করে বাড়ি ফিরব। এদিকে, অন্যান্য হাটগুলোর খোঁজ খরব নিয়ে জানা গেছে, ঈদের সময় আর বেশি না থাকায় অনেকেই তাদের পছন্দের পশু কিনছেন। এক্ষেত্রে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি রয়েছে।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ