
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।
সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন ধার্য করা হয়েছে।
এ দিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল রহমান দুলু আসামিদের অভিযোগপত্র পড়ে শোনান। এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে তাদের আদালতে আনা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে স্কুলে যাওয়ার জন্য রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে তার মা আসামিদের কক্ষের সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান। কোনো সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে সোহেল ও স্বপ্না আক্তারের শোবার ঘ রে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতিতে তার মাথা দেখতে পান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্না আক্তার।
ওই দিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে আটক করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।