
টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর পৌরসভার নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষসহ আরও তিনটি কক্ষ বন্ধ করে একযোগে কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসনের পানির বোতল ও নৌকা প্রতীকে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার ভুঞাপুর পৌরসভার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। তবে সংঘর্ষে ঘটনায় ‘আধা ঘণ্টা’ ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে জাল ভোট দেয়া নিয়ে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এসময় আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সংঘর্ষ চলাকালীন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষসহ কেন্দ্রের আরও তিন কক্ষে নৌকা প্রতীক ও কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের পানির বোতল প্রতীকে জাল ভোট দিতে থাকেন।
পরে জাল ভোট দেয়া শেষ হলে তারা চলে যায়।
এদিকে সরেজমিনে কুতুবপুর কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, সংঘর্ষ চলাকালীন ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষ ভিতর থেকে আটকানো। এছাড়া কেন্দ্রের আরও তিনটি কক্ষও বন্ধ। ফলে সেখানকার কক্ষগুলোতে মানুষকে জাল ভোট দিতে দেখা গেছে।
এসময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন জালভোট দেয়ার নেতৃত্ব দেন। তিনটি ব্যালট বইয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারা অবস্থায় দেখা যায়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে একটি কক্ষ থেকে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ব্যালট বোঝাই একটি বাক্স প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে নিয়ে আসেন।
পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কুতুবপুর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের সময় ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল। কক্ষ আটকিয়ে জাল ভোট দেয়ার কথা অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রে সংঘর্ষ হয়েছিল। এতে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। তবে জাল ভোট দেয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন