1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
ভোলা–বরিশাল যোগাযোগে নতুন দিগন্ত

স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটালের উদ্যোগে সেতু খাতে ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগ

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬ ৬:৩৭ pm

বাংলাদেশের সেতু ও অবকাঠামো খাতে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাপানের মিয়াগাওয়া কেনসেতসু কনস্ট্রাকশন কোম্পানির সঙ্গে ভোলা–বরিশাল ও শরীয়তপুর–চাঁদপুর সেতু নির্মাণে এ বিনিয়োগ উদ্যোগে ভূমিকা রাখছে বিনিয়োগ ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।

স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটালের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণে জাপানের মিয়াগাওয়া কেনসেতসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে নির্বাচিত করেছে দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় (এমএলআইটি)। প্রকল্পটিতে মিয়াগাওয়া কেনসেতসুর স্থানীয় অংশীদার হিসেবে কাজ করছে স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটাল।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাপান–বাংলাদেশ যৌথ প্ল্যাটফর্মের অষ্টম সভায় ভোলা–বরিশাল সেতু প্রকল্পের অগ্রগতি এবং জাপানি বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় প্রকল্পটির পরবর্তী কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোলা–বরিশাল ও শরীয়তপুর–চাঁদপুর সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সড়ক যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের গতি বাড়বে। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি আঞ্চলিক অর্থনীতির সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতির সংযোগও আরও শক্তিশালী হতে পারে।

বাংলাদেশে ‘জাপান ব্রিজ কোং লিমিটেড’ নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে মিয়াগাওয়া কেনসেতসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হারুন অর রশিদ বলেন, “ভোলা–বরিশাল ও শরীয়তপুর–চাঁদপুর সেতু প্রকল্প শুধু যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নয়; এগুলো দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে আধুনিক ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের বড় সুযোগ রয়েছে। ভোলা–বরিশাল সেতু বাস্তবায়িত হলে ভোলা ও বরিশালের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে।”

জাপান ব্রিজ কোং লিমিটেডের বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্পর্কে হারুন অর রশিদ বলেন, “প্রকল্প উন্নয়ন, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিনিয়োগ–সংক্রান্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করছি। স্থানীয় বাস্তবতা, প্রকল্পের চাহিদা এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।”

স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটালের চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। ভোলা–বরিশাল সেতু শুধু একটি যোগাযোগ প্রকল্প নয়; এটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি, শিল্প ও কর্মসংস্থানের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।”

তিনি বলেন, “মিয়াগাওয়া কেনসেতসুর সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্বের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি, দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাংলাদেশে নিয়ে আসা। সঠিক নীতিগত সহায়তা ও কার্যকর অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে জাপানসহ অন্যান্য দেশ থেকেও আরও বড় বিনিয়োগ আনা সম্ভব।”

স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটালের ভাষ্য, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতির সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক উৎপাদনশীলতা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

মাসিক আর্কাইভ