1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সংস্কারের বার্তা প্রধান উপদেষ্টার

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৭:৩৩ pm

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাত্র দুদিন আগে দেশের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এ বৈঠকে প্রায় ৭০ জন সচিব অংশ নেন।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অতীতের নির্বাচনগুলোর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সেগুলো প্রকৃত অর্থে নির্বাচন ছিল না; বরং ছিল জনগণকে বিভ্রান্ত করার আয়োজন। তিনি সচিবদের উদ্দেশে জানান, আসন্ন নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও ইতিহাসে স্মরণীয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আলোচনাটি সীমিত পরিসরের হলেও নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তার ভাষায়, “আগের নির্বাচনগুলো ছিল ভুয়া ও প্রহসনমূলক। কিন্তু এবারের নির্বাচনে আমরা প্রায় লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। এটি দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।”

প্রধান উপদেষ্টা এবারের নির্বাচনে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততাকে একটি যুগান্তকারী অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য, আর এবার রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের অন্তর্ভুক্তি ভবিষ্যতের রাজনীতিকে আরও ইতিবাচক করবে।

এছাড়া বিপুলসংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষকের আগমনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থার প্রত্যাবর্তন হিসেবেও দেখছেন তিনি।

প্রেস সচিব আরও জানান, শেখ হাসিনার শাসনামলে অনুষ্ঠিত বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সেসব নির্বাচনে জনসমর্থন ছিল না, এমনকি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন না। বিপরীতে এবারের নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল আচরণ করছে।

নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও সচিবদের অবহিত করেন প্রধান উপদেষ্টা। ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণে ২৫ হাজার ৭০০ বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে, প্রতিটি কেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসিটিভি। ভোটারদের তথ্য ও সহায়তার জন্য চালু করা হয়েছে ‘নির্বাচন’ ও ‘নির্বাচন বন্ধু’ নামের দুটি অ্যাপ।

গণভোট প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়, তবে দেশ একটি নতুন পথে যাত্রা শুরু করবে এবং অপশাসনের পুনরাবৃত্তি আর ঘটবে না। তিনি জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ইপিএ চুক্তিকে অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করে জানান, ভবিষ্যতে আরও দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হলে তরুণদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

গত ১৮ মাসে রাষ্ট্র সংস্কারে সচিবদের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এই সময়ে প্রায় ১৩০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ জারি হয়েছে, যা বাস্তবায়নে প্রশাসনের আন্তরিকতা ও দক্ষতা প্রশংসার যোগ্য।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঞ্চালনায় সচিবদের সঙ্গে একটি গ্রুপ ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ