1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

জ্বালানি সংকটের গুজবে চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে ভিড়, দীর্ঘ লাইনে চালকরা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬ ১:৪৪ pm

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে চালকদের ভিড় বেড়েছে। সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগেই ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। এতে বেশ কয়েকটি পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেক ফিলিং স্টেশনে পাম্পের ভেতর থেকে সড়ক পর্যন্ত গাড়ির সারি লেগে আছে। গণি বেকারি মোড়ের কিউসি ট্রেডিং লিমিটেড ফিলিং স্টেশনে পাম্পের ভেতর থেকে সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন দেখা গেছে। একই চিত্র দেখা যায় চান্দগাঁও এলাকার একটি পাম্পেও। সেখানে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামাল দিতে কর্মচারীদের দ্রুত তেল সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে দেখা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাঁচলাইশ, ষোলশহর, অক্সিজেন ও নতুন ব্রিজসহ নগরের বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনে গত দুই দিন ধরে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বেশিরভাগ চালকই ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু পাম্পে মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে।

গত শুক্রবার থেকেই নগরের বিভিন্ন পাম্পে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের উপস্থিতি বেড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ডিজেল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাম্প কর্মচারীরা জানান, সাধারণ সময়ের তুলনায় এখন দেড় থেকে দুইগুণ বেশি যানবাহন তেল নিতে আসছে। অনেক চালক সরাসরি ফুল ট্যাংক করতে চাইছেন। এতে প্রতিটি গাড়িতে তেল সরবরাহ করতে বেশি সময় লাগছে এবং লাইনের চাপ বাড়ছে।

চান্দগাঁও এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সেলিম উল্লাহ বলেন, তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং দামও বাড়েনি। কিন্তু গুজব ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কিনছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। অযথা বেশি তেল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করার জন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আমীর মাসুদও বলেন, দেশে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সংকটের যে কথা বলা হচ্ছে, সেটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

মাসিক আর্কাইভ