1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
শিরোনাম :
জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী নেত্রকোনায় নানা কর্মসূচিতে পালিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগের প্রশংসা জাতিসংঘের সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় পৌঁছেছে হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট আদ্-দ্বীনে নবজাতক মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন জমা ৩ জুন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদ শেষে ঢাকার পথে মানুষজন, এখনও বাড়েনি ফিরতি ভিড় জিয়াউর রহমানের জীবন আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে রংপুর-সিলেটসহ ৫ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী আজ

গৃহকর্মী নির্যাতনে মামলায় বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর স্ত্রীসহ ৪ জন রিমান্ডে

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৬:০১ pm

১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমান, তাঁর স্ত্রী বীথিসহ চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মো. সাফিকুর রহমানের পাঁচ দিন, তাঁর স্ত্রী বিথীর সাত দিন, গৃহকর্মী রুপালী খাতুনের পাঁচ দিন এবং মোছা. সুফিয়া বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

এর আগে গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা ও পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রোবেল মিয়া প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন। ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

আজ বেলা পৌনে তিনটার দিকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে বেলা তিনটা ১৩ মিনিটে বিচারক এজলাসে এসে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শুরু করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে ভুক্তভোগীর পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত চার আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে শিশুটিকে নির্যাতন করতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার ঘটনায় ব্যবহৃত গরম খুন্তি কোথায় রাখা হয়েছে, তা আসামিরা জানেন। এ ছাড়া শিশুটির শরীরের ক্ষতচিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে অন্য ধরনের পাশবিক নির্যাতনও করা হয়েছে। মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, সম্ভাব্য অন্য জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং নির্যাতনের সরঞ্জাম উদ্ধারের জন্য আটক আসামিদের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে তিনটার দিকে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা–পুলিশ। পরে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাফিকুর, তাঁর স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন ওই বাসার অপর দুই গৃহকর্মী রূপালী খাতুন এবং মোছা. সুফিয়া বেগম। এ নির্যাতনের ঘটনায় সাফিকুরকে বিমানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় সরকার।

মামলার বাদী ওই গৃহকর্মীর বাবা একজন হোটেল কর্মচারী। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, আসামি শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী বীথির বাসার নিরাপত্তা প্রহরী জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তাঁর (বাদী) পরিচয় হয়। সেই সূত্রে জাহাঙ্গীর জানতে পারেন তাঁর একটি ছোট্ট মেয়ে রয়েছে। তখন জাহাঙ্গীর তাঁকে জানান, এই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট একটি মেয়ে বাচ্চা খোঁজা হচ্ছে। পরে তিনি ওই বাসায় গিয়ে সাফিকুর ও বীথির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা জানান, যাকে রাখবে, তার বিয়েসহ যাবতীয় খরচ তাঁরা বহন করবেন। এতে রাজি হয়ে গত বছরের জুন মাসে তিনি তাঁর ১১ বছর বয়সী মেয়েকে এই বাসায় কাজে দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় তিনি সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন। তবে এরপর তিনি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও পরিবারটি নানা অজুহাতে দেখা করতে দেয়নি। গত ৩১ জানুয়ারি বেলা দেড়টার দিকে বীথি তাঁকে ফোন করে জানান, তাঁর মেয়েটি অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। তিনি দুইটার দিকে মেয়েকে আনতে যান। তখন বীথিকে ফোন করলে তিনি বাইরে আছেন জানিয়ে তাঁকে অপেক্ষা করতে বলেন। পরে বীথি সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাড়ির বাইরে তাঁর কাছে মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদী তখন দেখেন তাঁর মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম। মেয়েটি ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। কীভাবে এমন হলো, জানতে চাইলে বীথি সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে তিনি মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। মেয়ে তাঁকে জানায়, গত ২ নভেম্বর তিনি দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে সাফিকুর রহমান, বীথিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাঁকে মারধর, খুন্তি গরম করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।

পরে বাদী এসব নিয়ে নিজের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে উত্তরা পশ্চিম থানায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি মামলাটি করেন।

৫ ফেব্রুয়ারি গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় সাবেক এমডি ও সিইও মো. সাফিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে সরকার।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

মাসিক আর্কাইভ