1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

করোনার মধ্যেই রিজার্ভ ও রেমিটেন্সে রেকর্ড

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০ ১০:০০ pm

করোনা ভাইরাসের মহামারির মধ্যেই দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুটি সূচকে রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে দেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। একইসঙ্গে এক মাসে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেকর্ড রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বৃহস্পতিবার এই প্রথম এক সঙ্গে দুই সূচকে রেকর্ড সৃষ্টি হলো। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি। আর এক মাসে এত বেশি রেমিটেন্সও কখনও আসেনি। এর আগে এক মাসে ১৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল গত বছরের জুন মাসে রোজার ঈদকে সামনে রেখে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, ৩০শে জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট ১ হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ (১৮.২০ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। এই অঙ্ক আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ১০.৮৫ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ১৬.৪২ বিলিয়ন রেমিটেন্স এসেছিল।

করোনাকালেও রেমিটেন্সের এই উল্লম্ফনের কারণে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে বলে জানান ছাইদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও এআইআইবির ঋণ সহায়তাও রিজার্ভ বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪শে জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তার তিন সপ্তাহ আগে ৩রা জুন এই রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। ২০১৯ সালের ৩০শে জুন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২.৭২ বিলিয়ন ডলার।

করোনা ভাইরাস মহামারিতে আমদানি ও রপ্তানি তলানিতে নেমে এলেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বাড়ছিলই। আর এই রেমিটেন্সের উপর ভর করে রিজার্ভে একটার পর একটা রেকর্ড হচ্ছিল। ২৮শে জুন এক হাজার ৮০০ কোটি (১৮ বিলিয়ন) ডলার ছাড়ায় রেমিটেন্স। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক অর্থবছরে এত রেমিটেন্স আসেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পুরো সময়ে ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, বিশ্বজুড়ে মহামারী চলায় রেমিটেন্সে তার প্রভাব না পড়ার জন্য হুন্ডি বন্ধ হওয়া অন্যতম কারণ। এছাড়া প্রণোদনা থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাচ্ছেন। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিভিন্ন দেশে থাকা ১ কোটিরও বেশি বাংলাদেশির পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। দেশের জিডিপিতে এই রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

এবার করোনা ভাইরাস মহামারিতে মার্চ থেকে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ওলটপালট হয়ে যাওয়ায় রেমিটেন্সও কমে গিয়েছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে রেমিটেন্সে ঊর্ধগতির ধারা চলছে। রেমিটেন্সের গতি ধরে রাখতে গত অর্থ বছরে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ