1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ - |ভিন্নবার্তা

মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৪৭ pm

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ৩৭ জনের মধ্যে শিশু ও মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ এখন পর্যন্ত ১৮ জন মারা গেছেন। দগ্ধ বাকিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাকিরাও রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।

তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি গভীর শোকও প্রকাশ করেছেন।

যারা মারা গেছেন তারা হলেন- মসজিদের মুয়াজ্জিন দেলোয়ার (৪৮), জুয়েল (৭), জামাল (৪০), সাব্বির (১৮), জুবায়ের (১৮), হুমায়ুন কবির (৭০), কুদ্দুস বেপারী (৭০), ইব্রাহিম (৪২), মোস্তফা কামাল (৩৪), রিফাত (১৮), জুনায়েত (২৮), রাসেল (৩০), মাইনউদ্দিন (১২), কাঞ্চন হাওলাদার (৪০), নয়ন (২৭), জয়নাল ও রাসেল (৩৪)।

ডাক্তাররা জানিয়েছেন, সবারই অবস্থা সংকটাপন্ন, কমবেশি সবারই পুড়েছে শ্বাসনালী। এদিকে হাসপাতালে দগ্ধদের দেখতে এসে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সব কিছুই তদন্ত করে দেখা হবে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লার বাইতুছ সালাত জামে মসজিদে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজের সময় হঠাৎ বিকট শব্দে মসজিদের কাছের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মারে বিস্ফোরণ ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের ভেতরে এসির বিস্ফোরণও ঘটে। মুহূর্তে মসজিদের ভেতরে আগুন ধরে যায়। আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়লে মুসল্লিরা দগ্ধ হতে থাকেন।

দগ্ধ হন মসজিদের ইমাম মালেক আনসারী ও মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন, ফটো সাংবাদিক নাদিম হোসেনসহ ৪০ জন। আহতদের প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

এদিকে তিতাসের গ্যাস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বিস্ফোরণের ঘটেছে বলে দাবি করছে স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেকদিন ধরেই এই মসজিদের নিচে তিতাসের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস বের হবার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ নিয়ে বারবার অভিযোগ করেও কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

প্রাথমিকভাবে অনেকেই এসি বিস্ফোরণের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করলেও মূলত তা গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস

 

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD