
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আজকে দেশবাসী চায় সব অন্যায়ের প্রতিবাদ হোক। তারা প্রতিবাদের জন্য রাস্তায় নামতে চায়। বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল রাস্তায় নামলে, রাজপথে দাঁড়ালে প্রথম দিন, দ্বিতীয় দিন না আসলেও তৃতীয় দিন ঠিকই জনগণ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় স্মরণ মঞ্চের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমদ স্মরণে এই সভা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতীয়দের সাহায্য নিয়ে বিএনপি কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে তার জনগণের সমর্থন নিয়ে। তাই তরুণদের দিয়ে বিএনপির কাউন্সিল করুন। তারা মার খেয়েছে, রাস্তায় দাঁড়াবে। তাদের স্থায়ী কমিটিতে নিতে হবে। এখন খালেদা জিয়ার অবশ্যই কথা বলতে হবে। আজকে হাইকোর্টে ঘেরাও দিতে হবে। অন্যদের জামিন হয়, সবার জামিন হয়, ফাঁসির আসামির জামিন হয়, খালেদা জিয়ার জামিন হয় না।
তিনি বলেন, এমাজউদ্দিন আহমদ পরিস্কারভাবে বিভিন্ন সময় বলেছিলেন- ভারত থেকে সাবধান থাকতে হবে। তার এই সাবধানবাণীকে সরকার কীভাবে নিলেন, ভারতের একজন রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে তারা একদিনের রাষ্ট্রীয় শোকসভা পালন করলেন। অথচ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম কিংবা মৃত্যু দিবস ভারতে কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়নি। আর কতটা পা চাটবেন।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা ভারতের সৃষ্টি। চীনারা সোনাদিয়া দ্বীপের সমুদ্রবন্দর করবে বলেছিল, কিন্তু ভারতীয়রা অসন্তুষ্ট হয়েছে তাই এটা আর হবে না।
সরকারের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কোনো না কোনো সময় তো পরিবর্তন হবে। তখন আপনাদের ভুল শাসনের, দুঃশাসনের বিচার হলে আপনাদের কত বছরের সাজা হবে?- এ প্রশ্নও রাখেন তিনি।
সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী আ হ ম মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক সেলিম ভুঁইয়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।
ভিন্নবার্তা/এসআর