
মধ্য আমেরিকায় ঘূর্ণিঝড় ইটার আঘাতে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের পর প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস ও ভূমিধ্বসের ফলে মারাত্নক বিপর্যয় নেমে এসেছে। হারিকেনের আঘাতে সেতু ও রাস্তাঘাটের ক্ষয়ক্ষতির ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে গুয়তেমালা সবচেয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে।
মধ্য আমেরিকার এ অঞ্চগুলোর দরিদ্র দেশগুলোয় ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার মধ্য দিয়ে ব্যপক দৃর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। শুধুমাত্র গুয়াতেমালায় ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দ্রো জিয়ামমাত্তেই। পাহাড় ধসে বাড়ির ওপরে পড়েছে বলে জানান তিনি। পরিস্থিতি এমনই খারাপ যে উপদ্রুত এলাকায় যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। দেশটির সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর কিস্টাবাল ভেরাপোজ শহরেও যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না অথচ এই শহরেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির অর্ধেক প্রাণহানি এখানেই ঘটেছে।
এর পাশাপাশি হন্ডুরাস, নিকারগুয়া, কোস্টারিকা এবং আরও কয়েকটি অঞ্চলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধার কর্মকান্ড সম্পর্কে হন্ডরাসের প্রেসিডেন্ট জোয়ান অরল্যান্ডো বলেন, আমরা উপদ্রুত এলাকা ত্যাগ করব না যতক্ষণ পর্যন্ত উদ্ধার কাজ শেষ না হয়।
সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই
ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ