1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যান বসছে শনিবার

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০ ১০:৪১ pm

পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যান বসছে শনিবার (৩১ অক্টোবর)। সেতুর মাওয়া প্রান্তে ৮ ও ৯ নম্বর পিয়ারের ওপর স্প্যান ২-বি বসানোর পর সেতুর মোট ৫ হাজার ২৫০ মিটার দৃশ্যমান হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু, পদ্মা নদীতে চর পড়ে নাব্য সংকট সৃষ্টি হয়। যেখানে বর্ষা মৌসুমে পানি ছিল ১৩০ ফুট থেকে ১৫০ ফুট, সেখানে পানি কমে হয়ে গেছে মাত্র ৭ ফুট। তাই গত দুই দিন ড্রেজিং করে গভীরতা বাড়ানো হয়েছে। যে ক্রেনটি কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে স্প্যান বহন করে পিয়ারের কাছে নিয়ে যায়, সেটি চলতে কমপক্ষে ১২ ফুট গভীর পানি লাগে।

জানা গেছে, ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ২-বি স্প্যান নিয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কুমারভোগে অবস্থিত কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওনা দেবে শনিবার সকালে। রওনা দেওয়ার ৩০ মিনিট পরই সেটা কাঙ্ক্ষিত পিয়ারের কাছে পৌঁছে যাওয়ার কথা। আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দুপুর নাগাদ স্প্যানটি পিয়ারে বসানো যাবে।

সেতুর ৩৫তম স্প্যান বসার পর বাকি থাকবে মাত্র ছয়টি স্প্যান। কারণ, সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। প্রকৌশলীরা জানান, বর্ষার কারণে বিগত চার মাস বন্ধ থাকার পর অক্টোবর মাসে পুনরায় স্প্যান বসানোর কাজে গতি আসে। এ মাসে এরইমধ্যে তিনটি স্প্যান বসানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৫ অক্টোবরে বসানো হয় ৩৪তম স্প্যান। পরিকল্পনা আছে ডিসেম্বরের ১০ তারিখের মধ্যে বাকি স্প্যান ছয়টি বসানো হবে।

কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে দ্বিতল ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০২১ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা, যদিও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন অতিরিক্ত আরও সময় লাগতে পারে। আগামী ডিসেম্বরে স্প্যান বসানো শেষ হলেও স্ল্যাব বসানো, গ্যাস সংযোগ, রেল লাইন সংযোগের কাজসহ আরও কাজ বাকি। নদীভাঙনের কবলে পড়ে রেলের কিছু স্টিল বার পানিতে তলিয়ে গেছে। হয় সেগুলো তুলতে হবে, না হয় নতুন করে আনতে হবে। এসব কারণে সেতুর কাজ শেষ হতে কিছু দিন সময় বেশি লাগবে।

মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আব্দুল মোমেন লিমিটেড।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ