
বাংলাদেশের গবেষণা, নীতি ও উন্নয়নবিষয়ক জ্ঞানকে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর দর্শক-শ্রোতার কাছে পৌঁছে দিতে ঢাকাভিত্তিক নির্দলীয় নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) এবং পাকিস্তানের পডকাস্ট ও মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ক্যায়সে উইথ রাজা জাওয়াদ’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
ইসলামাবাদভিত্তিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান পারসুয়েশন (প্রা.) লিমিটেডের পডকাস্ট ও মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ক্যায়সে উইথ রাজা জাওয়াদ’ এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের গবেষণা, চিন্তা ও অভিজ্ঞতাকে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক আলোচনায় যুক্ত করবে।
২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ‘ক্যায়সে উইথ রাজা জাওয়াদ’-এর উপস্থাপক ও পারসুয়েশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজা জাওয়াদ এবং র্যাপিডের চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক। এ সময় র্যাপিডের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট জারা মুস্তাফা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তিটি দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা আয়োজনের জন্য ‘ক্যায়সে উইথ রাজা জাওয়াদ’-এর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। এ পরিকল্পনার আওতায় শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশকেও যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। তবে র্যাপিডের সঙ্গে অংশীদারত্বটি বিশেষভাবে বাংলাদেশকেন্দ্রিক।
এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে র্যাপিডের গবেষণা ও নীতিবিষয়ক দক্ষতার সঙ্গে পারসুয়েশনের উন্নয়ন যোগাযোগ, গল্প বলা এবং জনসম্পৃক্ততার অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটবে। এর ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন গবেষণা, নীতিগত ধারণা ও অভিজ্ঞতা আঞ্চলিক পর্যায়ে আলোচনার সুযোগ পাবে।
সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রাজা জাওয়াদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হলেও জীবিকা, বৈষম্যসহ মানুষের সামনে থাকা অনেক চ্যালেঞ্জ অভিন্ন। বৈশ্বিক সহযোগিতার ধরন পরিবর্তনের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও স্বয়ংক্রিয়তা কাজের প্রকৃতি বদলে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে একে অপরের কথা শোনা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
রাজা জাওয়াদ আরও বলেন, র্যাপিডের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাংলাদেশের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর আলোচনায় যুক্ত করতে সহায়তা করবে।
আগামী মাসগুলোতে এ অংশীদারত্বের আওতায় যৌথভাবে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর গবেষণা, নীতি ও উন্নয়ন-অভিজ্ঞতা নিয়ে আন্তঃদেশীয় জ্ঞানবিনিময়ের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।