
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটারে এবার দাম বেড়েছে ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
সোমবার (১৮ মে) বিইআরসির জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ মধ্যরাত থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা করা হয়েছিল।
এক মাসের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও এই জ্বালানির দাম বাড়ানো হলো।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে সময়ের মধ্যে আমদানি করা পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের ক্রুড অয়েলের এফওবি (ফ্রি অন বোর্ড) মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তন বিবেচনায় নিয়ে মে মাসের জন্য এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি জানায়, মার্চ মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকাশিত প্লাটস রেট এবং ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে এপ্রিল মাসের মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় সেই সুপারিশ পর্যালোচনা করে দাম বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আমদানি করা ফার্নেস অয়েলের একটি বড় অংশ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। ফলে এই দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচে। বিশেষ করে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যয় এক লাফে অনেকটা বেড়ে যাবে। এর ফলে ভবিষ্যতে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দামেও নতুন করে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।