1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

পিকে হালদারের বিরুদ্ধে আরও ৫ মামলা

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১ ৫:১৫ pm

কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে কানাডায় পালিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এসব মামলায় পি কে হালদারের নিয়ন্ত্রণাধীন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল, ভারপ্রাপ্ত এমডি আবেদ হোসেনসহ মোট ৩৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রবিবার (২১ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকার বিভাগীয় কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া এবং ঋণের বিপরীতে কোনও মর্টগেজ ছাড়াই পাঁচটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে ৪৩৪ কোটি টাকা ভুয়া ঋণের নামে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, যে পাঁচটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে সেগুলো হলো—লিপরো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, আর বি এন্টারপ্রাইজ, ওকায়ামা লিমিটেড, ইমেক্সো ও কনিকা এন্টারপ্রাইজ। এরমধ্যে লিপরোর নামে ১৭৪ কোটি টাকা, আর বি এন্টারপ্রাইজের নামে ৫৫ কোটি টাকা, ওকায়ামা লিমিটেডের নামে ৮৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা, ইমেক্সোর নামে ৫৮ কোটি টাকা ও কনিকা এন্টারপ্রাইজের নামে ৬০ কোটি টাকা ভুয়া ঋণ প্রদান করা হয়। মামলায় এসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদেরও আসামি করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, কাগুজে এসব প্রতিষ্ঠান আসলে পি কে হালদারের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। পি কে হালদারের মাধ্যমে তারা ভুয়া প্রতিষ্ঠান সাজিয়ে ঋণ নিয়েছেন। এ কারণে পাঁচটি মামলাতেই পি কে হালদারকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন—ইমেক্সোর প্রোপাইটার ইমাম হোসেন, লিপরো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উত্তম কুমার মিস্ত্রি, আর বি এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার রতন কুমার বিশ্বাস, কনিকা এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার রামপ্রসাদ রায়, ওয়াকামা লিমিটেডের চেয়ারম্যান সুব্রত দাশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত এমডি সৈয়দ আবেদ হাসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পি কে হালদারের বান্ধবী নাহিদা রুনাই, সিনিয়র ম্যানেজার রাফসান রিয়াদ চৌধুরী, পরিচালক পাপিয়া ব্যানার্জী, পরিচালক এম নুরুল আলম, পরিচালক নওশের উল ইসলাম, পরিচালক বাসুদেব ব্যানার্জী, পরিচালক নাসিম আনোয়ার, পরিচালক নুরুজ্জামান, পরিচালক এম এ হাশেম ও পরিচালক জহুরুল আলম।

দুদক সূত্র জানায়, পি কে হালদারের এসব সহযোগীর মধ্যে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ জারির অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। আসামিদের মধ্যে সম্প্রতি পি কে হালদারের বান্ধবী নাহিদা রুনাই, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক এমডি সৈয়দ আবেদ হাসান ও সিনিয়র ম্যানেজার রাফসান রিয়াদ চৌধুরীকে গত মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারিতে ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে দুদক। সেই মামলার তদন্তে নেমে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য পেয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা। তবে মামলা দায়েরের আগেই পি কে হালদার পালিয়ে কানাডা চলে যান। পালিয়ে যাওয়ার আগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন তিনি। একই সময়ে তিনি চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলএফএসএল), পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) নিজের নিয়ন্ত্রণে ধরে রাখেন। এসব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা তুলে তা কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার নামে আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করেন তিনি। পি কে হালদারের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে তার ৬২ জন সহযোগীর খোঁজ পায় দুদক। পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

ভিন্নবার্তা ডটকম/এন



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

মাসিক আর্কাইভ