
ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানা থেকে ডাকাতি মামলার আসামি হারুন অর রশিদ ওরফে সুমন পালিয়েছে। এ ঘটনায় আট পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে আসামি পালানোর এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় আসামি গণনার সময় পুলিশের কাছে আসামি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আনোয়ারুল কবির বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আনোয়ারুল কবির বাবুল বলেন, ‘আজ সকালে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নতুন ভবনের দুই তলায় অবস্থিত কোর্ট হাজত থেকে ডাকাতির মামলার আসামি হারুন অর রশিদ ওরফে সুমন পালিয়ে যায়।’
কৌঁসুলি আনোয়ারুল কবির আরও বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টায় কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামি সুমনসহ একাধিক আসামিকে হাজিরার জন্য প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে আসে পুলিশ। সে সময় হারুন অর রশিদ সুমনের হাতে হাতকড়া লাগানো ছিল। কিন্তু সুমনকে যখন প্রিজন ভ্যান থেকে নামানো হয় তখন তিনি হাতকড়া খুলে অতি দ্রুত পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু বিষয়টি তখনো পুলিশের চোখে পড়েনি।
আনোয়ারুল কবির বাবুল বলেন, ‘আসামি সবাইকে প্রবেশ করানোর পরে পুলিশ গণনার সময় দেখে একজন আসামি কম। তখনই পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপরে বিষয়টি ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল আদালত পরিদর্শক মেজবা উদ্দিনসহ পুলিশের ঊধ্বর্তন কতৃপক্ষের নজরে আসে।’
এ বিষয়ে আদালত পরিদর্শক মেজবা উদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনায় ওসি (হাজত) বদরুত জামানসহ আট পুলিশ সদস্যকে কর্তব্যে অবহেলার জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে। যাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যে আসামি পালিয়েছেন তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন