
ঢাকার এখন নতুন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে মহাখালী সেতু ভবন। ফলে এ ভবন দ্রুত ভাঙ্গার বিকল্প নেই। এমন এমন মন্তব্য করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাজধানীতে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এ নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশে’র ‘গণপরিবহন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক রিপোর্টিং প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো: আবদুস সবুর, পিআইবির মহাপরিচাল, জাফর ওয়াজেদ, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মতিন আবদুল্লাহ,সহ-সভাপতি কামরুন্নাহার শোভা, সাধারন সম্পাদক সোহেল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল খান, প্রচার সম্পাদক হাসান ইমন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার, শফিকুল ইসলাম সোহাগ,দীপ্ত টিভির নিজস্ব প্রতিবেদক সাদিয়া চৌধুরী, প্রমুখ।
এসময় মেয়র আরো বলেন, মহাখালী চেয়ারম্যান বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে বড় বড় গাছ ছিল। সেই গাছ কেটে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ভবন করার জন্য ঢাকায় অনেক জমি রয়েছে, রাস্তার পাশে অপরিকল্পিতভাবে একটি ভবনও নির্মাণ করতে দেওয়া যাবে না। প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও নগরের সমস্যাগুলো তুলে ধরতে হবে। ডিএনসিসির মেয়র আরও বলেন, নগরে যানবাহন চলাচলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বি আরটিএ) রুট পারমিট দেয়। রুট পারমিট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে না। বি আরটিএ বাস, ট্রাক থেকে রেজিস্ট্রেশন ফি নেয়। রেজিস্ট্রেশন ফি’র একটি অংশ সিটি করপোরেশনকে দিতে হবে। কারণ সিটি করপোরেশনের রাস্তাগুলো মেরামতের জন্য বি আরটিএ কোনো ধরনের ফি দেয় না। বি আরটিএ গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ফি’র একটি অংশ সিটি করপোরেশনকে না দিলে, গাড়ি চালকদের কাছ থেকে রাস্তা মেরামতের জন্য ফি আদায় করা হবে। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। গাড়ির মালিকরা নগরে গাড়ি চালায় আর ফি দেয় বি আরটিএ’কে। সিটি করপোরেশনের রাস্তার ওপরে গাড়ি চালালে রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়। সেই রাস্তা মেরামতের জন্য নিয়মিত সরকারের কাছে চিঠি লেখতে হয়। সরকার টাকা দিলে রাস্তা করবো, এটা হতে পারে না। নগরি গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীকে সেতু ভবনের বিষয়ে আমি আপত্তি জানিয়েছি। সেতু ভবন বিজিএমইএ ভবনের মতো সমস্যার কারণ। সেহেতু বনানীকে সেতু ভবন থাকতে পারে না। সরাতেই হবে। এ শহরকে বাসযোগ্য করতে হলে সুষ্ঠু পরিকল্পানামাফিক ভবন তৈরি করতে হবে।
ভিন্নবার্তা/এমএসআই