বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে হামের প্রকোপ যে গতিতে বাড়ছিল সেখান থেকে কিছুটা কমেছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম শুরু করলে এটা আরও কমে যাবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমরা হাম মোকাবিলায় ফাইট করছি এবং সক্ষমতার সঙ্গে অস্ত্র (ভ্যাকসিন) হাতে নিয়ে আমরা যুদ্ধ করে যাচ্ছি। আশা করি, আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, টিকার ঘাটতি নিয়ে যে নিউজ আসছে এটা একেবারেই সঠিক নয়। আমাদের কোনো টিকার শর্টেজ (ঘাটতি) নেই। সব ধরনের টিকার পর্যাপ্ত মজুত আছে। গ্রাম এলাকায় ও আমাদের হাতে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন মজুত আছে তা দিয়ে আগামী জুন মাস পর্যন্ত বিনা বাধায় আমরা ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবো। তবে আগামী মাসে একটা জায়গায় আমাদের কিছু শর্টেজ দেখা দিতে পারে সেটা হলো .০৫ সিরিঞ্জ। সে শর্টেজ পূরণ করতে আমরা ইতোমধ্যে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখছি। বর্তমানে এটি পাইপলাইনে আছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে আমরা সিরিঞ্জের এ ঘাটতিও পূরণ করতে পারবো। ইউনিসেফের মাধ্যমে আমরা আংশিক সিরিঞ্জ আগামী সাতদিনের মধ্যে নিয়ে নেব। আর বাকিগুলো মে মাসের মধ্যে তারা আমাদের সরবরাহ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেভাবে হামের রোগী নিয়ে ঢাকায় আসে এজন্য ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর কিছুটা চাপ পড়ে। সে সমস্যা সমাধানে আমরা রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল হামের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমাদের কিছু জনবলের ঘাটতি আছে সেগুলোই ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছি। খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের সহায়তায় যেভাবে দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করেছি এবং আগামী ২০ এপ্রিল বৃহৎ পরিসরে শুরু হবে এজন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার বিশ্বাস দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম শুরু হলে হামের প্রকোপ আরও কমে আসবে।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051