তাইওয়ানের স্বাধীনতা চাওয়া মানেই ‘যুদ্ধ’। যুক্তরাষ্ট্রকে ইঙ্গিত করে চীনের অন্তর্ভুক্ত অঞ্চল তাইওয়ানকে কঠিন ভাষায় সতর্ক করে দিয়েছে বেইজিং। ওয়াশিংটন তাইওয়ানকে সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা পরপরই সর্বোচ্চ হুঁশিয়ারি দিল দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বিমান বাহিনীর সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উ কিয়ান বলেন, ‘তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাইওয়ান জলসীমায় চীনা লিবারেশন আর্মি দ্বারা পরিচালিত সামরিক কার্যক্রম তাইওয়ান সমুদ্রের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।’
তিনি আরো বলেন, ‘তাইওয়ানের অল্প সংখ্যক লোক তাইওয়ান দ্বীপের স্বাধীনতা চায়। যদিও এসব স্বাধীনতাকামী লোকদের অনেক আগেই সতর্ক করে দিয়েছে আমরা। তাদের যেই দেশ উস্কানি দিয়ে আসছে সতর্ক করে দিয়েছি। এটি মনে রাখা উচিত, 'তাইওয়ানের স্বাধীনতা' মানে যুদ্ধ'।
একইদিন তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চীনের কড়াবার্তাকে দুঃখজনক বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জন কিরবি। চীন-তাইওয়ান নিয়ে নতুন মার্কিন প্রশাসনের এটি প্রথম কোনও মন্তব্য।
কদিন আগে বেশ কয়েকটি চীনা যুদ্ধ ও বোমারু বিমান তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিমান প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে প্রবেশের কথা জানিয়েছিল দেশটি। চীনা বাহিনীর এমন অবস্থান নিয়ে আগ বাড়িয়ে চীনকে তাইওয়ানের ওপর চাপ প্রয়োগ বন্ধের আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশে হিসেবে দাবি করে আসছে। কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দেখে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট তসই ইং-ওয়েন বারবার বলে আসছেন, তাইওয়ান একটি স্বাধীন দেশ।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051