ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ইতিপূর্বে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ কারণে এ দেশে তার পুরনো বন্ধু অনেকে আছেন। তারা অনেকে শ্রিংলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
সোনারগাঁও হোটেলে শ্রিংলার সঙ্গে সাক্ষাতের পর ইনু সাংবাদিকদের বলেন, শ্রিংলা আমার পুরনো বন্ধু। তিনি পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দেখা করলাম। শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরতর হচ্ছে।
ঢাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। মহামারীর কারণে অনেকটা স্থবির দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সচল করতে মঙ্গলবার দু’দিনের সফরে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সোনারগাঁও হোটেলে মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা বেশি গুরুত্ব পায়।
চলতি বছরেই ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন’র (জেসিসি) বৈঠক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বৈঠকের মাধ্যমে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোতে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ায় বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বছরের প্রথমার্ধে সীমান্তে বিএসএফ কিংবা ভারতীয় নাগরিকদের হাতে বাংলাদেশি হত্যা বেড়ে গেছে। এটা সব দ্বিপক্ষীয় চুক্তির লঙ্ঘন। বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারতীয় পক্ষ আশ্বস্ত করেছে যে, বিষয়টি দুই দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। দুপুর ১টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি প্রায় আড়াই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। তারপর শ্রিংলা বিশেষ বিমানে ভারত ফিরে যান।
ভিন্নবার্তা/এসআর
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051