
রঙিন ফুলের স্নিগ্ধ সুবাস
বাতাসে জানান দিল,
পরাগ হয়ে উদাস হিয়া
আমায় ছুঁয়ে গেল।
মনের কপাট দমকা হাওয়ায়
হঠাৎ গেল খুলে,
হারাই আমি বাউল মনে,
মেঘের খামখেয়ালে।
দস্যি এ ক্যানভাসের বুকে
হাজার আঁকিবুকি,
খেলছে হঠাৎ লুকোচুরি,
বলছে আমায় “টুকি”।
কু ঝিকঝিক রেলগাড়িতে
অচিনপুরের টিকিট
নিলেম হাতে,দিলেম পাড়ি
স্মৃতির বন্ধ গিঁট
হ্যাঁচকা টানে দিলেম খুলে
উঠল পাখি হেসে।
ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী এল
গল্পকথার বেশে।
উঠল জেগে লাফানদড়ি,
এক্কাদোক্কা মাঠ,
ভাসল মনে পড়ায় ব্যামো,
স্কুলের খড়িকাঠ।
কোন পুতুলের কি নাম ছিল
হঠাৎ আসে মনে,
বৃষ্টিজলে নৌকো-সাঁতার
কারণে অকারণে…
রঙিন বেলুন,হজমিগুলি,
মৌরি লজেন্সগুলি,
আঁকছে হঠাৎ জলছবি আজ
হাতে নিয়ে রংতুলি।
রঙিন খামে বন্ধ যত
দুষ্টুমি আর প্রলাপ,
হঠাৎ আমায় হাতছানি দেয়
নিয়ে চেনা আলাপ।
রেলের চাকা আর নড়ে না
হঠাৎ যে হয় স্তব্ধ,
সে রাজ্যে আজ প্রবেশ নিষেধ।
বারণ যে নিঃশব্দ।
মন খারাপের মেঘের ভেলায়
আজকে ভাসাই তাই,
শিশুবেলার অমেয় রতন
খুশির এ রোশনাই…