করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় সরকারের আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় দেয়া ঋণের টাকা ‘শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে’র যে অভিযোগ উঠেছে তা যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে অনলাইন ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশ থেকে যারা রেমিট্যান্স পাঠায় তাদের আমরা ২ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছি। যারা টাকা পাঠান, এবং যারা এখানে সেই টাকা রিসিভ করেন, তারা টাকা হাতে আসলে তা নিজেরাও ব্যয় করতে পারবেন। পুঁজিবাজারেও ব্যয় করতে পারবেন। সে কারণে পুঁজিবাজারে টাকা গেছে বলে আমরা জানি। প্রণোদনার প্যাকেজের ঋণের টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে তথ্য আমি পাইনি। আমি এখন এটি ভেরিফাই করব। আমরা পরবর্তী সভায় জবাব দেব। আমাকে আগে জানতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রণোদনার প্যাকেজের যেগুলো কোভিড রিলেটেড সেগুলো স্পেসিফাইড করা আছে কোন খাতে আমরা কতো ব্যয় করব। সেই খাত বাদ দিয়ে অন্য কোথাও টাকা যাওয়ার ব্যবস্থা নেই। আমরা এই টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করেছি। যার জন্য টাকাটি অনুমোদিত হয়েছে তাকেই আমি পাঠিয়েছি। সুতরাং সেই টাকা রিসিভ করে সে কি করবে সেটা পরবর্তী পর্যায়ে আমাদের ভেরিফাই করতে হবে। আগামীতে দেখব যদি এ ধরনের আরও কোনো ঘটনা ঘটে, যদিও আমার বিশ্বাস ঘটেনি, কারণ যাদের দিয়েছি আপনারা জানেন কোন কোন খাতে কোন কোন সেক্টরকে টাকা দিয়েছি। সেখান থেকে টাকা পুঁজিবাজারে যাওয়ার কথা না। বাংলাদেশ ব্যাংকের রেফারেন্স যেহেতু দিয়েছেন সুতরাং আমাকে এটি আরও ভেরিফাই করতে হবে। ভেরিফিকেশন করার পর আমি সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারব।’
এর আগে গত বছরে সাড়ে ৪ শতাংশ সুদে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংকগুলো। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের ব্যবসায়ী এবং শিল্পোদ্যোক্তাদের এই ঋণ দেয়া হয়। আর ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের ব্যবসায়ীদের ৪ শতাংশ সুদে দেয়া হয় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের সুদহার ছিল ৯ শতাংশ। বাকি সুদের টাকা ভর্তুকি দেয় সরকার।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এন
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051