1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

শেষ মুহূর্তের গোলে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬ ৭:১৭ pm

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ভারতের বিমানে উঠেছিল বাংলাদেশ দল। নিজেদের লক্ষ্য থেকে আর এক ধাপ দূরে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালের টিকিট পেয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (৩ জুন) ভারতের গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ২২তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন নেপালের গীতা রানা। আর বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে ঋতুপর্ণা চাকমার অবিশ্বাস্য এক ‘অলিম্পিক গোলে’ সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। এরপর ম্যাচ যখন ট্রাইবেকারের দিকে যাচ্ছিল তখন অতিরিক্ত সময়ে গোল করে দলকে ফাইনালের টিকিট উপহার দেন সাগরিকা।

ম্যাচের কিক অফের পর থেকেই সংঘবদ্ধ আক্রমণে বাংলাদেশকে চেপে ধরে নেপালের মেয়েরা। যেন গত দুই আসরের ফাইনালে হারের প্রতিশোধ নিতেই মাঠে নেমেছেন তারা। ফলও পেয়ে যায় ২২তম মিনিটে। দীপা শাহীর কর্নার কিক থেকে আসা বিপজ্জনক বল হাত দিয়ে পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ গোলকিপার মিলি আক্তার। 

কিন্তু সেই পাঞ্চের পর বলটি ডি-বক্সের ভেতরেই ফাঁকায় থাকা গীতা রানার সামনে পড়ে। সুযোগ সন্ধানী রানা চিপ করে বল জালে জড়ান। সাফে ছয়বারের দেখায় বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি নেপালের দশম গোল।

পিছিয়ে পড়ার পরের মিনিটেই ভালো একটি সুযোগ পায় বাংলাদেশ। কর্নার থেকে ঋতুপর্ণার চমৎকার শটে সুযোগ তৈরি হলেও তা থেকে গোল আদায় করতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। উল্টো ৩৫তম মিনিটে দূরপাল্লার একটি শট থেকে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন মিলি। ডি-বক্সের খানিক দূর থেকে আসা বুলেট গতির শটটি লাফিয়ে উঠে মিলি হাত দিয়ে টিপ করেন এবং বলটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

বারবার আক্রমণের মুখে পড়েও আশাহত হয়নি বাংলাদেশ, বরং প্রথমার্ধের শেষ দিকে নিজেদের চেনা ধার ফিরিয়ে আনে দলটি। যার ফল মেলে ৪৫তম মিনিটে। ঋতুপর্ণা চাকমার সরাসরি কর্নার থেকে নেওয়া এক অবিশ্বাস্য ‘অলিম্পিক গোলে’ সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। ১-১ ব্যবধানের স্বস্তি নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

বিরতির পর শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকা মাঠে নামেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণটি ছিল নেপালের। ৪৭ মিনিটে রেখা বক্সের ভেতরে ফাঁকায় বল পেয়ে শট নিলেও তা বারের নিচে লেগে ফিরে আসে। এতে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

৬৭ মিনিটে সারু লিম্বুর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ৭৮ মিনিটে সাগরিকা বক্সে ঢুকে জোরালো শট নিলেও তা ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ফলে লিড নেওয়া হয়নি বাংলাদেশের। তবে যোগ করা সময়ে দুই বদলির সমন্বয়ে আসে জয়সূচক গোল। শামসুন্নাহার জুনিয়রের ডান প্রান্ত থেকে বাড়ানো দারুণ এক পাসে ৬ গজের ভেতরে বল পান সাগরিকা। সুযোগ নষ্ট না করে তা জালে জড়িয়ে দেন তিনি।

গোল হজমের পর নেপাল সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালও নিশ্চিত করে লাল-সবুজের মেয়েরা।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ