জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র আন্দ্রেজ মাহেজিক বলেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কারোনার বিস্তার ঠেকানোর জন্য জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে মার্চ মাস থেকে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় এনজিওরা সহায়তা করছে। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোহিঙ্গা শনাক্ত হয়।
শুক্রবার (১৫ মে) জেনেভায় জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র আন্দ্রেজ মাহেজিক বাংলাদেশ সরকারকে উদ্ধৃত করে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘কুতুপালং ক্যাম্পে অবস্থানরত একজন রোহিঙ্গা এই রোগে (করোনা) আক্রান্ত হয়েছেন। তার সঙ্গে আরেকজন স্থানীয় ব্যক্তিও আক্রান্ত হয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র্যাপিড তদন্ত দল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তি কীভাবে করোনা আক্রান্ত হলেন, সেটি খতিয়ে দেখছে। রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত এপ্রিল থেকে রোহিঙ্গাদের করোনা টেস্টিং শুরু হয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত ১০৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।’
করোনা বিস্তারের ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়ে আন্দ্রেজ মাহেজিক বলেন, ‘খুবই অল্প জায়গায় প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণ বাস করছে। এটি একটি বড় ঝুঁকি।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ‘রোহিঙ্গা মানবিক সমস্যার জন্য যে যৌথ রেসপন্স পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে, সেটি বাস্তবায়নের জন্য ২৬ শতাংশ অর্থ যোগাড় হয়েছে।’
উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় এবছর মার্চে প্রায় ৮৮ কোটি ডলার পরিকল্পনার ঘোষণা করে জাতিসংঘ।
ভিন্নবার্তা/এমএসআই
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051