
সুশান্ত মৃত্যুকাণ্ডে এবার সিবিআই জেরার মুখোমুখি অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী৷ আজই হাজিরা দেওয়ার জন্য তাঁকে সমন পাঠায় সিবিআই। এ দিনই সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানিও সিবিআই অফিসে হাজিরা দিয়েছেন। ফলে রিয়া এবং সিদ্ধার্থকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মুম্বাইয়ের যে গেস্ট হাউসে সিবিআই কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব চালাচ্ছেন, সেখানে পৌঁছে গেছেন রিয়া।
রিয়ার সঙ্গে তাঁর ভাই শৌভিকও সিবিআই দফতরে পৌঁছেছেন। রিয়ার সঙ্গে তাঁকেও জেরা করবেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। বৃহস্পতিবারই শৌভিককে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জেরা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা৷ রিয়া চক্রবর্তীকে জেরা করার জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা দীর্ঘ প্রশ্নমালা তৈরি করেছেন বলে জানা গিয়েছে ৷ ফলে শৌভিকের মতো রিয়াকেও দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সিদ্ধার্থ পিঠানির পাশাপাশি সুশান্তের হাউজ ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকেও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে ৷ আলাদা আলাদা জেরা করেও প্রত্যেকের বয়ান মিলিয়ে দেখবেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত ২০ অগাস্ট থেকে সুশান্ত মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই-এর বিশেষ তদন্তকারী দল৷ তার পর শৌভিক সহ সুশান্ত ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজনকে ডেকে জেরা করলেও এই প্রথম রিয়াকে ডেকে পাঠানো হল৷ ইতিমধ্যেই রিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো৷
এদিকে সম্প্রতি একটি ভারতীয় সংবামাধ্যমের সাক্ষাতকারে হাজির হয়ে একের পর এক দাবি করেছেন রিয়া চক্রবর্তী। কখনও সুশান্ত ২০১৩ সাল থেকে মনোবিদের ওষুধ খান বলে দাবি করেন রিয়া আবার কখনও বলতে শুরু করেন, মাকে ছেড়ে থাকতে পারছিলেন না সুশান্ত। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেছেন। কখনও সন্দীপ সিং আবার কে বলেও পালটা প্রশ্ন করতে দেখা গিয়েছে রিয়াকে। কখনও আবার মহেশ ভাটকে নিয়ে মুখ খোলেন রিয়া।
মহেশ ভাটকে নিয়ে বলতে গিয়ে রিয়া দাবি করেন, পরিচালক তাঁর বাবার মতো। কেন মহেশ ভাটের ‘গার্লফ্রেন্ড’ বলে তাঁকে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন ‘জেলেবি’ অভিনেত্রী। পাশাপাশি সুশান্তের শেষ যাত্রায় তিনি হাজির হতে চেয়েছিলেন কিন্তু অভিনেতার পরিবার গররাজি ছিল। সেই কারণেই তিনি সুশান্তের শেষ যাত্রায় হাজির হতে পারেননি বলে দাবি করেন রিয়া চক্রবর্তী।
ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ