রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছেন শ্রমিকরা। বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে সোমবার তারা এই কর্মসূচি পালন শুরু করেন। এদিন সকাল থেকে রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রুটে অধিকাংশ পরিবহনের বাস চলেনি। এতে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
বাসচালক ও শ্রমিকরা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা যাতায়াতে এক বাসচালককে ১ হাজার ৩৫০, সুপারভাইজারকে ৫৭০ এবং চালকের সহকারীকে ৫৩০ টাকা দেন মালিক। ১৫ বছর ধরে তাদের বেতন বাড়ানো হয়নি। দফায় দফায় বাস মালিকদের সঙ্গে বসেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই সোমবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের সব বাস বন্ধ রাখা হয়েছে।
সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, গ্রামীণ ট্রাভেলস, হানিফ পরিবহনের বাস চলেনি। তবে একতা পরিবহনের বাস স্বাভাবিকভাবে চলছে। অভ্যন্তরীণ রুটের বাসগুলো চলাচল করেছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
নাটোরের গুরুদাসপুরের বাসিন্দা আব্দুল জলিল হোসেন বলেন, ‘বাস বন্ধ থাকায় ঢাকায় যেতে পারলাম না। চিকিৎসার জন্য রওনা দিয়েছিলাম। অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।’
এর আগে একই দাবিতে এক দিনের জন্য রাজশাহী-ঢাকা রুটের বাস চলাচল বন্ধ ছিল। প্রায় ৪১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মালিক পক্ষের আশ্বাসে রাজশাহী-ঢাকা রুটে বাস চলাচল শুরু হয়। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার থেকে আবারও তারা কর্মবিরতি শুরু করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর বাসস্টাফদের সঙ্গে মালিক পক্ষের বসার কথা ছিল। হঠাৎ করে সেই তারিখ পরিবর্তন করে মালিক পক্ষ। এতে হতাশ বাস শ্রমিকরা ধর্মঘট পালন করছেন।
নাটোর জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষ্মণ পোদ্দার সমকালকে বলেন, এখন শ্রমিকরা বাস বন্ধ রেখেছেন। আশা করছি খুব দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হবে।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051