রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে আয়তনের আলোকে জনঘনত্ব নির্ধারণে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টুরোডে তার সরকারি বাসভবনে ‘মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালনের দুই বছর পূর্তি’ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা জানান। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তত্ত্বাবধানে ২০ বছর মেয়াদী ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রণয়ন করা হচ্ছে।
সম্প্রতি আমাকে এ মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি পেশাজীবীদের (পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি ও প্রকৌশলী) সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আমার কাছেও এটাই মনে হয়েছে যে, ভবনের উচ্চতা বাড়িয়ে জনসংখ্যা বাড়ালে শহরকে বাসযোগ্য রাখা সম্ভব হবে না। এজন্য বিজ্ঞান সম্মতভাবে এ শহরের আয়তন, সড়ক ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে জনঘনত্ব নির্ধারণ করতে হবে। সে লক্ষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ড্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটা বাস্তবায়নে সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগীতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ঢাকাশহর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। প্রয়োজনের তুলনায় সড়ক অবকাঠামো নেই। আর ভবনের উচ্চতা বাড়ালে সড়ক অবকাঠামো সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে না।
তখন শহরের যানজট বাড়বে। সে কারণে যতটুকুন উচ্চতা হলে এ শহর বাসউপযোগী থাকবে, সে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ বিষয়টি সকলকে বুঝতে হবে। কেননা সকলে মিলেই একটি শহর বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, রাজউক পূর্বাচল শহর গড়ে তুলছে ১০ লাখ মানুষের বসবাসের চিন্তা করে। কিন্তু যেভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে তাতে ধারণা করা যায় যে, সেখানে অন্তত ৫০ লাখ মানুষ বসবাস করবে। আর এটা হলে চার লেনের সড়ক হলেও তাতে যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। এজন্য এসব বিষয় নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে আমি একজন উদ্যোক্তা। অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। সেগুলো সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করেছি। এছাড়া দেশ-বিদেশ ঘুরে এবং রাজনীতি লব্ধ জ্ঞান থেকে দ্রুততম সময়ে এ মন্ত্রণালয়কে বুঝে নিয়েছি। সে কারণে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোন সমস্যা বোধ করিনা। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার দায়িত্বপালনকালে করোনাভাইরাস এবং এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস মোকাবেলা করতে হয়েছে। এসময় আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্টা সংস্থাগুলোক সঙ্গে নিয়ে মাঠে থেকেছি। সকলের প্রচেষ্টায় আমরা এ দুটি কঠিন সময় মোকাবেলা করেছি।
ভিন্নবার্তা/এমএসআই
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051