চতুর্থ দফায় মিয়ানমার থেকে একদিনে ১৯.১২৫ মেট্রিক টন পিয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে এসেছে। বুধবার একটি ট্রলারে পিয়াজগুলো স্থলবন্দর ঘাটে এসে পৌঁছায়।
এর আগে সর্বশেষ চলতি মাসের শুরুর দিকে এ বন্দর দিয়ে পিয়াজভর্তি ট্রলার এসেছিল। গত সেপ্টেম্বর ও চলতি মাসে মিয়ানমার থেকে নৌপথে চতুর্থ দফায় ১৩২.৩৯৫ মেট্রিকটন পিয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, বুধবার একদিনে একজন ব্যবসায়ীর মিয়ানমার থেকে ১৯.১২৫ মেট্রিক টন পিয়াজ আমাদানি করেছেন। আমদানি করা এসব পিয়াজ ট্রলার থেকে খালাস করে রাতেই ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে রওনা দেয়।
টেকনাফ শুল্ক বিভাগ জানায়, টেকনাফ শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে গত বছরের আগস্ট মাসে ৮৪ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বর মাসে তিন হাজার ৫৭৩ মেট্রিক টন, অক্টোবর মাসে ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন, নভেম্বর মাসে ২১ হাজার ৫৬০ মেট্রিক টন পিয়াজ আমদানি হয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের জুলাই মাসে এসেছিল ৮৩ মেট্রিক টন পিয়াজ। সেপ্টেম্বর মাসে ৫৭.২০০ মেট্রিক টন পিয়াজ এসেছিল।
সর্বশেষ ৫ অক্টোবর সোমবার ৫৬.৭০ মেট্রিক টন পিয়াজ এসেছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানিকারক ওমর ফারুক বলেন, মিয়ানমার থেকে বুধবার সকালে ১৯.১২৫টন পিয়াজ আমদানি করেছি। আমদানিকৃত পিয়াজ ট্রলার থেকে খালাস করে। পিয়াজভর্তি ট্রাক চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেন। আরও পিয়াজ ভর্তি ট্রলার আসার পথে রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোহর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, জুলাই মাসের শুরুর দিকে মংডু-আকিয়াব বন্দরে করোনারোগী শনাক্ত হওয়ায় মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি বন্ধ ছিল।
এ অবস্থায় প্রায় আড়াই মাস পর মিয়ানমার থেকে চতুুর্থ দফায় বুধবার সকালে একটি ট্রলারে ১৯.১২৫ মেট্রিক টন পিয়াজ এসেছে। আমদানিকৃত পিয়াজ দ্রুত সময়ে খালাস করে। বুধবার বিকালে ২টি পিয়াজ ভর্তি ট্রাক দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের উদ্দেশ্যে স্থলবন্দর ছেড়ে গেছে।
ভিন্নবার্তা/এসআর
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051