টানা পরাজয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে প্রীতি জিনতার দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।
টানা সাত ম্যাচে দলের আইকন খেলোয়াড়রা ছিলেন ব্যর্থ। এদিকে টি-টোয়েন্টির রাজা ক্রিস গেইলকে কেন বসিয়ে রাখা হচ্ছে সে প্রশ্নেও জর্জরিত হচ্ছিলেন অনিল কুম্বলেরা।
অবশেষে একাদশে ঠাঁই হলো ক্যারিবীয় জায়ান্ট গেইলের। আর তাতেই যেন উজ্জীবিত হয়ে উঠল পাঞ্জাবের কিংরা।
একেবারে একের পর এক ম্যাচ জয়ী দল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে হারিয়ে দিল তারা।
বৃহস্পতিবার রাতে সারজাহতে বিরাট কোহলির দলকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিল লোকেশ রাহুলের দল।
এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ঝড়ো গতিতে করেছিল আরসিবির দুই ওপেনার দেবদূত পাডিক্কেল আর অ্যারন ফিঞ্চ। পাডিক্কেল ১২ বলে ১৮ আর ফিঞ্চ ১৮ বলে করেন ২০ রান। ৬.৩ ওভারেই ৬২ রান তোলে এই জুটি।
কিন্তু এরপরই চিত্রটা পাল্টে পাঞ্জাবের হয়ে যায়। ফিঞ্চকে ২০ রানে ফেরান মুরুগান অশ্বিন। আর্শদ্বীপ সিংয়ের বলে আউট হন পাডিক্কেল। দলের হাল ধরেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি।
উইকেটে কোহলি থাকলেও রানের গতি মন্থর হয়ে যায়। ওয়াশিংটন সুন্দরকে ১৩ রানে ফেরান অশ্বিন। শিভাম দুবেকে ফেরান জর্ডান। আর আগে ১৯ বলে ২৩ রানের কেমিওইনিংস খেলেন দুবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট দুটি নেন মোহাম্মদ সামি। সামির বলে মাত্র ২ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ব্যাঙ্গালুরুর মারকুটে ব্যাটসম্যান এডি ভিলিয়ার্স।
বিরাট কোহলিকেও ফেরান সেই পেসার সামি। তার বলে পাঞ্জাব অধিনায়কের ক্যাচে পরিণত হন ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক।
ম্যাচের ১৮তম ওভারে আউট হওয়ার আগে কোহলি ৩৯ বলে করেন ৪৮ রান। তবে শেষ দুই ওভারে ক্রিস মরিসের বিধ্বংসী ইনিংস দলের পুজিকে ১৭০ রান পার করে দেয়। মাত্র ৮ বলে ১টি চার আর ৩টি ছক্কার মারে ২৫ রান তোলেন মরিস। ৫ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন উদানা।
এই যুগল ১৩ বলে যোগ করা ৩৫ রানের পর নির্ধারিত ২০ ওভারে ব্যাঙ্গালুরুর সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৭১ রান।
পাঞ্জাবের বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সামি আর মুরুগান অশ্বিন।
১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করে পাঞ্জাবের দুই ওপেনার অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগার ওয়াল।
ব্যাঙ্গালুরুর বোলারদের পাড়ার ছেলেদের পিটিয়ে তুলোধুনো করেন এই দুই ব্যাটসম্যান।
২৫ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কার মারে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন আগারওয়াল। তিনি যুজবেন্দ্র চাহালের বলে আউট হয়ে ফিরলে ব্যাট হাতে নামেন ক্রিস গেইল। ৪৫ বলে ৫ ছয়ের মারে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন গেইল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউট হয়ে ফিরলে বাকি কাজ একাই সারেন রাহুল।
৪৯ বলে ১ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কার মারে ৬১ রানে অপরাজিত থেকে ১৭২ রানে পৌঁছে যান তিনি।
ফলাফল ৮ উইকেটে জয় পায় প্রীতি জিনতার দল। অর্থাৎ চাহাল ব্যাতীত আরসিবির আর কোনো বোলার আজ উইকেট পাননি।
ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051