
নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও মশা বাহিত অন্যান্য রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের (চিরুনি অভিযান)।
সোমবার প্রথম দিনে ১৩ হাজার ৮২৫টি বাড়ি, স্থাপনা ইত্যাদি পরিদর্শন করে ৯৪ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এছাড়া ৮ হাজার ৭১৩টি বাড়ি, স্থাপনায় জমে থাকা পানি পাওয়ায় সেখানে মশার কীটনাশক প্রয়োগ করে জমে থাকা পানি ফেলে দেয়া হয়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৬টি মামলায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ডিএনসিসির সকল ওয়ার্ডে (৫৪টি) একযোগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই চিরুনি অভিযান পরিচালিত হয়।
উত্তরা অঞ্চলে (অঞ্চল-১) মোট ১ হাজার ৩৭৭টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৪টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ ছাড়া ১ হাজার ১৭৯টি বাড়ি, স্থাপনায় জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। মিরপুর-২ অঞ্চলে (অঞ্চল-২) মোট ২ হাজার ৬৩৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৩৬৬ টি বাড়ি, স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।
মহাখালী অঞ্চলে (অঞ্চল-৩) মোট ১ হাজার ৬০৩ টি বাড়ি, স্থাপনা ইত্যাদি পরিদর্শন করে ৩৯ টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ১ হাজার ১৫৪ টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪) মোট ১ হাজার ৪৮৫টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৮২৯টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। কারওয়ান বাজার অঞ্চলে (অঞ্চল-৫) মোট ২ হাজার ৪৭৯টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়।
এছাড়া ১ হাজার ৯৭৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) মোট ১ হাজার ৪২৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়।
দক্ষিণখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৭) মোট ৯৩৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। উত্তরখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৮) এর অধীনে মোট ৭৪১টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় ভাটারা অঞ্চলে (অঞ্চল-৯) মোট ৪৯৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৬টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। সাতারকুল অঞ্চলে (অঞ্চল-১০) মোট ৬৫২টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৪৯০টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।
ভিন্নবার্তা/এমএসআই