বৃষ্টিপাত বেড়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বুধবার (১৭ জুন) এ পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
পাউবো জানায়, দেশের রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং উজানে ভারতের মেঘালয়, মিজোরাম ও ত্রিপুরা প্রদেশে ইতোমধ্যে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী পাঁচ দিন এসব অঞ্চলে এবং সংলগ্ন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়েও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র–যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দুই দিন তা স্থিতিশীল থাকতে পারে, এরপর তিন দিন আবার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গঙ্গা–পদ্মা নদ-নদীর পানি সমতল বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল কমেছে। তবে আগামী এক দিন আবার হ্রাস পাওয়ার পর পরবর্তী দুই দিন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে নদীগুলো সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।
রংপুর বিভাগের তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কমেছে। আগামী এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন এসব নদীর পানি আবার বাড়তে পারে।
ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী ও ভুলাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর কংস নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার নিম্নাঞ্চল সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়ে কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পাউবো জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সতর্কবার্তা জারি করা হবে।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051