1. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  2. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  3. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  4. bddesignhost@gmail.com : admin : jashim sarkar
  5. newspost2@vinnabarta.com : ebrahim-News :
  6. vinnabarta@gmail.com : admin_naim :
  7. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৪:৩১ pm

দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক শূন্য। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার অব সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

এনসিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্রস্থল নির্ণয় করা হয়েছে অক্ষাংশ ২৪.৮৫ ডিগ্রি উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৯২.০৭ ডিগ্রি পূর্বে, যা বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত। এ তথ্য গালফ নিউজেও প্রকাশিত হয়েছে।

এনসিএস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, “০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভোর ৪টা ০২ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে বাংলাদেশে ৩.০ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ২০ কিলোমিটার।”

এদিকে আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ভলক্যানো ডিসকভারি জানায়, একই সময়ে সিলেট শহর থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে হালকা মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল তুলনামূলকভাবে অগভীর, প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে।

তবে ভূমিকম্পটি হালকা হওয়ায় কোথাও বড় ধরনের কম্পন অনুভূত হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা কম থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তেমন আতঙ্কও সৃষ্টি হয়নি।

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশ একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। দেশটি ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা—এই তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে সরে যাচ্ছে, অন্যদিকে ইউরেশীয় প্লেট উত্তর দিকে প্রায় ২ সেন্টিমিটার গতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

এ ছাড়া দেশের আশপাশে বগুড়া ফল্ট, ত্রিপুরা ফল্ট, শিলং মালভূমি, ডাউকি ফল্ট ও আসাম ফল্টসহ একাধিক সক্রিয় চ্যুতি রেখা রয়েছে। এসব ভূতাত্ত্বিক কারণে বাংলাদেশকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেটের জৈন্তাপুর অঞ্চলকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানী ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর হওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি এখানে তুলনামূলক বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাসের কারণে ঢাকাকে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি শহরের একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।



আরো




আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

মাসিক আর্কাইভ