কোভিড-১৯ মহামারী সারা বিশ্বেই দাপট দেখাচ্ছে। ইউরোপ-আমেরিকার পর এখন লাতিন আমেরিকাকে গ্রাস করেছে এই ভাইরাস। আক্রান্তের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই এখন ব্রাজিলের স্থান।
এরই মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকাকে করোনাভাইরাসের নতুন ‘এপিসেন্টার’ বা কেন্দ্রে হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।খবর আলজাজিরার।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মাইক রায়ান শুক্রবার বলেন, দক্ষিণ আমেরিকা করোনা মহামারির নতুন এপিসেন্টার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার বহু দেশে হঠাৎ করেই আমরা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখতে পাচ্ছি। আমরা এ বিষয়ে চিন্তিত। এর মধ্যে ব্রাজিলের অবস্থা খুবই খারাপ।নতুন শনাক্তের এক-তৃতীয়াংশ দক্ষিণ আমেরিকায়।
গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর পাঁচ মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রথমে চীন, এরপর ইরান, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র করোনাজনিত কোভিড-১৯ রোগের প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র হয়ে উঠলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দক্ষিণ আমেরিকায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। গত কয়েকদিনে যে এক লাখ নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে, তার এক-তৃতীয়াংশই দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর।
ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২০ হাজার ৮০৩ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে এক হাজারের বেশি মানুষ। রাশিয়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড এখন ব্রাজিলের।
ফলে ব্রাজিলে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৩২ হাজার ৩৮২।এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ২১ হাজার ১১৬ জন। দেশটিতে এর মধ্যেই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৪৩০ জন। এখন পর্যন্ত এক লাখ ৭৫ হাজার ৮৩৬ জন গুরুতর অবস্থায় আছে ব্রাজিলে। তবে তাদের মধ্যে আট হাজার ৩১৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রতিদিন হাজারের বেশি মানুষ করোনার সংক্রমণে প্রাণ হারাচ্ছে ব্রাজিলে। বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পরই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল।
Editor: Rumana Jaman Shachi
Raipura House (2nd Floor), 5/A, Outer Circular Road
West Malibag, Dhaka-1217
Communication
E-mail: vinnabarta@gmail.com
Phone:+8802222220051